দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে হনুমান দেখতে উৎসুক জনতার ভীড়। এ হনুমানটি গত ৬ জুন মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বুড়িরহাট রাজাপুর চারআনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বটগাছে প্রথম দেখতে পায় স্থানীয় দোকানদাররা।

হনুমানের আগমনের ঘটনাটি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত লোকজন এক নজর হনুমানটিকে দেখতে ভীড় জমায়। এরপর ৭ জুন বুধবার বলাইবাজার মনসা মন্দিরের পাশের গাছে ওই হনুমানটিকে দেখতে পায় লোকজন।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা দেবতা ভেবে ওই হনুমানের পূজা-অচর্না শুরু করেন এবং তাকে বিভিন্ন ফলমূল ও তরল পানীয় জুস খেতে দেয়। ৮ জুন বৃহস্পতিবার পুনরায় হনুমানটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা দেয়।

হনুমানটি একনজরে দেখতে শত শত লোকজন ভীড় জমায়। এ সময় বিভিন্ন স্থান থেকে আগত শিশুরা হনুমানটিকে ঢিল ছুড়তে থাকে। ফলে হনুমানটি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবনে গিয়ে আশ্রয় নেয় এবং বর্তমানেও সেখানেই অবস্থান করছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. গোলাম রব্বানী বিষয়টি বনবিভাগকে জানান। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবনে অবস্থানরত বন বিভাগের যতিন্দ্র নাথ রায় জানান, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে হনুমানটিকে দেখে গেছে। প্রয়োজন হলে ওঁরা পুনরায় এখানে আসবেন। বর্তমানে ওই হনুমানটিকে দেখতে উৎসুক জনতার ভীড় বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য