ভারতের হরিয়ানায় এক নারী তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে চলন্ত অটোরিকশা থেকে তার নয়মাসের শিশুকে ছুঁড়ে ফেলে হত্যা এবং তাকে ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন। এনডিটিভি জানায়, ২৯ মের ঘটনা হলেও দিল্লি পুলিশ গতকাল সোমবার এ বিষয়ে মুখ খোলে। অভিযোগকারী নারীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ২৯ মে মধ্যরাতে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর শিশু সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়ি রওয়ানা হন ওই নারী।

পথে তিনি একটি অটো রিকশায় চড়েন। যেটাতে আগে থেকেই আরও তিনজন পুরুষ যাত্রী ছিল। ওই নারীর দাবি, তিনি অটো রিকশায় উঠার পর থেকেই তিন ব্যক্তি তাকে হয়রানি করা শুরু করে। একপর্যায়ে শিশুটি কেঁদে উঠলে তাদের একজন শিশুটিকে কেড়ে নিয়ে রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলে। মাথায় আঘাত পাওয়া শিশুটি সেখানেই মারা যায় বলেও জানায় পুলিশ।

প্রথমে ওই নারী তার সন্তানকে হত্যার অভিযোগ নিয়ে পুলিশের কাছে আসে। পরে তিনি ওই তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগও আনেন।

একজন জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, হত্যা এবং যৌন নিপীড়নের একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা ধষর্ণের অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। কারণ ওই নারী ধর্ষণের প্রমাণের জন্য ডাক্তারি পরীক্ষা করাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। গত এক মাসে হরিয়ানায় সড়কে দলবেঁধে ধর্ষণের এটি তৃতীয় ঘটনা।

গত মাসে রোহতাকে ২৩ বছরের এক তরুণীকে দলবেঁধে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। অন্য ঘটনায় একটি চলন্ত গাড়িতে একদল লোক ২৬ বছরের এক তরুণীকে ধর্ষণের পর প্রায় অচেতন অবস্থায় রাস্তা ফেলে দিয়ে যায়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য