“দিনাজপুর-বিরল-পাকুড়া-রাধিকাপুর (বিরল স্থল বন্দর) সড়ক নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম। দেখার কেউ নেই” শীরোনামে গত ২৮ মে/১৭ তারিখে বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর সরজমিন পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এ,বি,এম, রওশন কবীর।  তিনি সরজমিন পরিদর্শন করে ব্রীজটি মূল সড়ক থেকে অনেকটা নীচু হয়েছে দেখে সওজ এর প্রকৌশলীদের নিকট এ বিষয়ে জানতে চাইলে সওজ এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোমিনুল ইসলাম তাৎক্ষণিকভাবে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে কোন সদুত্তোর দিতে পারেননি।

জানা গেছে, দিনাজপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগ (সওজ) এর আওতায় দিনাজপুর-বিরল-পাকুড়া-রাধিকাপুর (বিরল স্থল বন্দর) সড়ক নির্মাণ কাজে ১১ কি.মি হতে ১৫ কি.মি. এলাকায় নিম্নমানের কাজ চলায় রামপুর বাজার নামক স্থানে একটি ব্রীজ দেবে গেছে। সওজ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ব্রীজের উপর পাথর-বালু ফেলে সড়কের লেভেল করতে গিয়ে এলাকাবাসীর বাঁধার মুখে কাজ আটকে আছে। এলাকাবাসীর দাবী সিমেন্ট দিয়ে ঢালাইকৃত ব্রীজের উপর পাথর-বালু দিয়ে সড়ক নির্মাণ করা হলে ব্রীজটি রক্ষা হবে কিভাবে? এছাড়াও ওই সড়কে নিম্নমানের বিটুমিনের সাথে প্রকাশ্যে কেরোসিন তেল মিশিয়ে কোনমতে কার্পেটিং ও সিলকোড কাজ করা হচ্ছে।

ষ্টিমেট অনুযায়ী ১২ মি.মি সিলকোড করা হচ্ছে না, যার ফলে নীচের কার্পেটিং এর বড় পাথর সড়কের অনেক জায়গায় বাহির হয়ে রয়েছে। এ ব্যাপারে সওজ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মুঠো ফোনে জানান, ৩০-৩৫ ভাগ কেরোসিন মিশানোর নিয়ম আছে। ব্রীজ দেবে গেলেও পাথর-বালু দিয়েই সড়কের লেভেল করে দেয়া হবে। সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ,বি,এম, রওশন কবীর সরজমিনে সওজ এর ওই প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনে গেলে উপস্থিত এলাকাবী অভিযোগের বিষয়গুলি তুলে ধরে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানান।

সওজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও এলাকাবাসীর দাবী শুনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ব্রীজ নীচু হওয়ার কারণ ও কারিগরী বিষয়ে প্রকৌশলীদের মতামত না পাওয়া পর্যন্ত ওই সড়ক নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখা এবং উপস্থিত এলাকাবাসীকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে সহযোগিতার আহ্বান জানান।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য