রংপুরের  পীরগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেটের ২০ গজের মধ্যেই ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে প্রায় ৫/৬টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। প্রায় সব ক’টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মাঠকর্মী হিসেবে কাজ করে অল্প শিক্ষিত-অশিক্ষিত এবং নানা অসামাজিক কাজের সাথে জড়িত কিছু মহিলা। কোন কোন সেন্টারে ৫/৬জন আবার কোন কোন সেন্টারে ৭/৮জন কর্মীও রয়েছে। চুক্তি ভিত্তিক এরা কাজ করে।

যারা স্থানীয় ভাবে দালাল হিসেবে  চিহ্নিত এবং এদের অত্যাচারে হাসপাতালে প্রতিদিন আগত উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের শত শত অসহায় হত দরিদ্র মানুষ অতিষ্ট। সরেজমিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ওই কর্মীরা গোটা ক্যাম্পাস দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।

তারা ফুসলিয়ে-ফাঁসলিয়ে অসহায় হত দরিদ্র মানুষদের হাসপাতাল গেট সংলগ্ন জনসেবা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মর্ডাণ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সময় ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মেডিকেয়ার,ডক্টরস পয়েন্ট, সিয়াম প্যাথলজি ও মোহনা প্যাথলজিসহ অন্যান্য ল্যাবে ধরে এনে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।

আর এই প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত রয়েছেন কিছু অসৎ প্রকৃতির ডাক্তার। অথচ সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১০টা পর্যন্ত উপজলো স¦াস্থ্য কমপ্লেক্সেই অতি স্বল্প মূল্যে দক্ষ টেকনোলজিস্ট দ্বারা সকল পরীক্ষা হয়। এসব বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মোখলেছুর রহমান বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিয়েও ব্যর্থ হয়েছেন।

কতিপয় ডাক্তার ডিউটিরত থাকাবস্থায় আউট ডোর ও ইমার্জেন্সিতে বসেই পরীক্ষা নিরিক্ষার জন্য রোগীদের ফুসলিয়ে হাসপাতাল গেট সংলগ্ন ওই সব  ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মোখলেছুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য