নীলফামারীর ডোমারে নতুন স্বীকৃতি পাওয়া কলেজে জোর করে একাদশ শ্রেনীতে শিক্ষার্থী ভর্তির চেষ্টার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে । শিক্ষার্থীদের মতামত না নিয়ে কলেজ কতৃপক্ষ নিজের ইচ্ছাই এসব কাজ করে প্রতারনা করছে বলে ভুক্তভোগীরা জানান। কলেজ কর্তৃপক্ষ আশপাশের ও নিজেদের স্কুল থেকে  এস,এস,সি পাস করা শিক্ষার্থীদের অজ্ঞাতে অনলাইনে তাদের ভর্তির তথ্য পাঠিয়েছে।এতে শিক্ষার্থীরা নতুন কলেজগুলিতে ভর্তি হতে বাধ্য হচ্ছে। আজ সোমবার সারা দেশে রেজাল্ট হলেও শিক্ষার্থীরা তাদের মোবাইল থেকে এস,এম,এস করতে না পারায় তারা রেজাল্ট জানতে পারেনি । এতে তাদের শিক্ষা জীবন ব্যাহত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে ।

উপজেলার পাচঁটি স্কুল সম্প্রতি একাদশ পযার্য়ে ভর্তি ও পাঠদানের অনুমতি পায়। নতুন প্রতিষ্টিত কলেজগুলি হল চিলাহাটি গালর্স স্কুল এন্ড কলেজ, গোসাইগঞ্জ  স্কুল এন্ড কলেজ,বাগডোকরা নিমোজখানা স্কুল এন্ড কলেজ, মটুকপুর স্কুল এন্ড কলেজ, শালমারা বিএম স্কুল এন্ড কলেজ ।

শালমারা বিএম স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী খাদিজা আক্তার (রোল-৬০২৬০৭), আসমা আক্তার ( রোল- ১৯৩৩৬৮),রেজোয়ানা আক্তার ( রোল- ৬০২৬১০)  জানান, আমরা শালমারা বিএম স্কুল এন্ড কলেজ থেকে পাশ করেছি ।আমরা ভর্তির জন্য অনলাইনে কার্যক্রম করতে গিয়ে বিষয়টি টের পাই । আমাদের অজ্ঞাতে শালমারা কলেজ থেকেই এস,এম,এস করা হয়েছে বলে তারা জানায় । আমাদের জোর পূর্বক ওখানে ভর্তির চেষ্টা করা হচ্ছে ।

পপিরানী রায় ( রোল- ৬০২৬০২)জানান,আমি কাছের কলেজে চান্স পেলে কেন ১৪ মাইল দুরের কলেজে পড়তে যাব। আজকে রেজাল্ট হলেও আমার মোবাইলে রেজাল্ট আসেনি কারন ওনারা এস,এ,এস করেছে । ওনাদের মোবাইলেই রেজাল্ট এসেছে হয়ত।
শালমারা বিএম স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ হালিমা বেগম  অভিযাগের সত্যতা স্বীকার করে জানান, অন্য কলেজের নামও তো পাঠানো হয়েছে ।এ বিষয়টি পরে কথা বলব ।

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাকেরিনা বেগম অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে জানান, গতবারও এরকম অভিযোগ পেয়েছি, বোর্ড কর্তৃপক্ষকে আমরা জানিয়েছিলাম, বোর্ড  তেমন ব্যবস্থা নেয়নি । এ রকম হলে অপরাধ প্রবনতা তো বাড়বেই । সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্টান প্রধানের এমপিও স্থগিত করলেই ঠিক হত। শালমারা বিএম স্কুল এন্ড কলেজের বিরুদ্ধে বেশী অভিযোগ পাওয়া গেছে। আমরা এটা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে কথা বলেছি। বোর্ড কে এবারও আবার জানাব ।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য