বিরল উপজেলার ধর্মপুর ইউপি’র কামদেবপুর বাজারে মাদক বিরোধী অভিযানে গিয়ে ৫৫ পিস ইয়াবা টেবলেটসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে পুলিশ। মাদক ব্যাসায়ীদের স্বজনরা সংবাদ পেয়ে পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী দুইজনকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

হামলার শিকার হয়েছে জগতপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) জিয়াউর রহমান, এএসআই আখতার হোসেন ও পুলিশের সোর্স আব্দুল্লাহ। গত শনিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার ধর্মপুর ইউপির কামদেবপুর বাজারে এ ঘটনাটি ঘটে।

মাদক ব্যবসায়ী দুইজন কামদেবপুর গ্রামের মৃত নাঈমুল হকের পুত্র আবুল হোসেন (৪০) ও বনগাঁও গ্রামের মৃত মিজানুর রহমানের পুত্র আরিফ হোসেন (৩০)। পুলিশ বাদী হয়ে এজাহার নামীয় ১৪ জনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০/২৫ জনের বিরুদ্ধে বিরল থানায় মামলা করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত নয়টার দিকে জগতপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে এএসআই আখতারুল ইসলাম এবং সোর্স আব্দুল্লাহসহ কামদেবপুর বাজারে মাধকবিরোধী অভিযানে যায়।

এক পর্যায়ে পুলিশ আবুল হোসেন (৪০) ও আরিফ হোসেন (৩০) নামের দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। এ সময় আবুল হোসেনের কাছ থেকে ৫৫ পিস ইয়াবা টেবলেট উদ্ধার করে পুলিশ। মুহুর্তেই এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মাদকব্যবসায়ীদের স্বজনরা একত্রিত হয়ে পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে আটক দুইজনকে ছিনিয়ে নেয়।

চিৎকার শুনে ধর্মপুর ইউপির সদস্য মতিউর রহমান ও রফিকুল ইসলাম এগিয়ে এসে পুলিশকে জনতার রোষানল থেকে উদ্ধার করে। এতে স্বজনদের হামলার শিকার হন জগতপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) জিয়াউর রহমান, এএসআই আখতারুল ইসলাম ও জগতপুর গ্রামের নাজমুল হকের ছেলে পুলিশের সোর্স আব্দুল্লাহ আহত হয়। পরে আহত তিনজনকেই প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

এ ঘটনায় রোববার জগতপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) জিয়াউর রহমান বাদি হয়ে এজাহার নামীয় ১৪ জনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০/২৫ জনের বিরুদ্ধে বিরল থানায় একটি মামলা নং- ৫, তারিখ- ০৪/০৬/২০১৭ ইং দায়ের করেছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য