কুড়িগ্রামের উলিপুরে স্বামীর নির্যাতনে শিকার হয়ে গুরুত্বর অসুস্থ্য মুক্তিযোদ্ধার কন্যা আলেমা বেগমকে (৩৮) উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় স্ত্রীর নিকট টাকা না পেয়ে গলায় রশি পেচিয়ে বেধড়ক মারপিট করে। এ সময় ঐ গৃহবধু অচেতন হয়ে পড়লে এলাকাবাসী অসুস্থ্য অবস্থায় তাকে উলিপুর হাসপাতালে ভর্তি  করে দেয়। এব্যাপারে নির্যাতিতা গৃহবধু উলিপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।

গ্রামবাসী ও অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের মহাদেব গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আহম্মেদ আলীর কন্যা আলেমা বেগমের সাথে ১৮ বছর পূর্বে পাশ্ববর্তী গ্রামের মহিবুল হাসান মকবুলের সঙ্গে বিয়ে হয়। আলেমা বেগম স্বামীর নিকট ভরন পোষন না পেয়ে চট্রগ্রামে এক গার্মেন্টস কারখানায় চাকুরী নেয়। ৫ বছর স্ত্রীর কোন খোঁজ খবর নেয়নি স্বামী মহিবুল হাসান।

কয়েকদিন পূর্বে আলেমা বেগম চট্রগ্রাম থেকে স্বামীর বাড়ীতে ফিরে আসলে, স্ত্রীর উপার্জিত টাকা দাবী করতে থাকে মহিবুল। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় পুনরায় টাকা দাবী করলে তার স্বামী বেধরক মারপিট শুরু করে। এক পর্যায়ে ঐ গৃহবধুটির গলায় রশি পেচিয়ে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। এ সময় গৃহবধুটি অচেতন হয়ে পড়লে এলাকাবাসী মুমূর্ষু অবস্থায় উলিপুর হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। আলেমা এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য