নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ফারজানা আক্তার (২০) নামের এক গৃহবধুকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুর-শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে। নিহত ফারহানা জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুসা মোতাপাড়ার মাজেদুল ইসলামের স্ত্রী এবং একই ইউনিয়নের মুসা নয়াপাড়ার গোলাম মোস্তফার মেয়ে। আজ শনিবার বেলা ১০টার দিকে নিহতের শ্বশুড়বাড়ীর শোয়ার ঘর থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

কিশোরগঞ্জ থানার উপ-পরির্র্দশক সহিদুল জানান, প্রাথমিক সুরহতাল প্রতিবেদনে ফারজানার শরীরের কোথাও কোন আঘাতের চিহ্ন না থাকলেও ফারজানার বাবা-মায়ের মৌখিক অভিযোগের কারণে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের প্রতিবেশীরা জানায়, ফারজানার স্বামী গার্মেন্টস শ্রমিক হিসেবে ঢাকায় কর্মরত আছেন। স্বামীর অনুপস্থিতিতে র্দীঘ দিন থেকে ফারজানার সাথে শ্বশুর-শাশুড়ি ও ননদের পারিবারিক কলেহ চলে আসছিল।

নিহত ফারহানার বাবা গোলাম মোস্তফা স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, দুই বছর পূর্বে মেয়ে ফারহানার সাথে বিয়ে হয় মাজেদুলের। মাজেদুল ঢাকায় গার্মেন্টস শ্রমিক হিসেবে কর্র্মরত আছে। স্বামীর অনুপস্থিতি শ্বশুড়-শাশুড়ি ও ননদ প্রায় সময় ফারহানাকে নানা ভাবে নির্যাতন করে আসছিল। শনিবার রাতে সাড়ে ৩টার দিকে ফারহানার শ্বশুর গোলাম মোস্তাফা আমাকে জানান, আপনার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। সকালে  গিয়ে দেখি ওই বাড়িতে কেউ নেই। শুধু মেয়ের লাশ ঘরে ঝুলছে। পরে প্রদিবেশেীদের সহযোগীতায় পুলিশে খবর দেয়। তার দাবী, আমার মেয়ে আতœহত্যা করতে পারে না। তাকে হত্যা করা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য