দিনাজপুর থেকে সুবল রায়ঃ দিনাজপুর পৌরসভা কর্তপক্ষের অবহেলা আর উদাসীনতায় সারা শহর ডাষ্টবিনে পরিণত হয়েছে। চারিদিকে নোংরা আবর্জনা ও জঞ্জালের স্থুপে ঢাকা পরেছে প্রতিটি ওয়ার্ডের রাস্থা পথ। চারিদিকে দুরগন্ধে পৌরবাসীর রাস্থায় চলাফেরা দায় হয়ে পড়েছে। পথের ধারে আবর্জনা যেমন রাস্তাকে সংকৃণ্য করে ফেলেছে তেমনি ভাবে দিনাজপুর পৌর বাসীর জন দুর্ভোগ দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও পৌর কর্তপক্ষের এখনও ঘুম ভাঙ্গেনী।

প্রায় দেড়শ বছরের পুরাতন দিনাজপুর পৌরসভা। এই পৌর সভায় অনেক ঘন আবাসিক এলাকায় ময়লা ফেলার জন্য কোন ডাষ্টবিন নেই। ফলে এলাকার মানুষ বাড়ী ঘরের আবর্জনা রাস্থায় ফেলে আসে। নিয়মিত এই আবর্জনা পৌর কর্তপক্ষ পরিস্কার না করায় রাস্তার দু-ধারে জমে উঠে আবর্জনার স্থুপ। নোংরা আবর্জনার কারণে রাস্তায় মানুষ নাকে রুমাল দিয়ে খুব কষ্টে চলা ফেরা করে।

রাস্তার পাশে জমে থাকা নোংরা আবর্জনা, হাঁস-মুরগী, গরু-ছাগল, আর কুকুর-বিড়াল টেনে হেচরে রাস্তা গুলিকে বেহাল দোষায় পরিণত করে। এই নোংরাগুলা যেমন চলা ফেরায় বাধা সৃষ্টি করে তেমনি রোগ জীবানু ছাড়ায়। আবর্জনা গুলি মাসের পর মাস পড়ে থাকলেও পৌর কর্তপক্ষ তা পরিস্কার করেনা। শহরের রামনগর, বালুয়াডাঙ্গা, কালিতলা, শুইহারী, জামাইপাড়া, ঘাসীপাড়া ও উপশহর এবং বালুবাড়ী সহ বিভিন্ন এলাকায় একি অবস্থা বিরাজ করছে। দিনাজপুর পৌর এলাকা এখন সম্পুর্ণটাই ডাষ্ট বিনের শহরে পরিণত হয়েছে।

দিনাজপুর পৌরসভার অনেক মহল্যায় এখনও কোন ডাষ্টবিন নেই। ফলে এলাকার মানুষ ঘরের আবর্জনা  ড্রেনে ফেলায় বন্ধ হয়ে গেছে ড্রেনের পানি প্রবাহ। অনেকেই মনে করেন ক্ষমতাসীন দলের এমপি ও বিরোধী দল বিএনপি মেয়রের ক্ষমতার লড়াইয়ে পৌরবাসীর যেন দুর্ভোগের শেষ নেই। প্রথম শ্রেণীর দিনাজপুর পৌরসভার উন্নয়ন যেন পদে পদে বাধা গ্রস্ত হয়ে পৌর বাসীর দুর্ভোগ বৃদ্ধি করছে। দিনাজপুর শহর এখন একটি ঘিঞ্জি শহরে পরিণত হয়েছে।

অভিযোগের দায় শিকার করে প্যানেল মেয়র মোঃ রেহাতুল ইসলাম খোকা জানালেন নানা সমস্যার কথা। তিনি মোহনা টেলিভিশনকে এক সাক্ষাতকারে জানান, গাড়ী সংকট, জনবলের অভাব ও পৌর সভার ময়লা ফেলার স্থানটি দক্ষল হয়ে যাওয়া ও নানা বিধ কারণে দিনাজপুর শহরকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে পারছেননা পৌর কর্তপক্ষ।

দিনাজপুর পৌর কর্তপক্ষ শহরকে আবর্জনা মুক্ত কওে একতটি সুন্দর ও বসবাস উপোযোগী শহর করে গড়ে তুলতে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহন করবে এই প্রত্যাশা পৌরবাসীর।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য