মাসুদ রানা পলক, ঠাকুরগাঁও থেকে আজ বৃহস্পতিবার রাতে শবেবরাত। এ দিনকে ঘিরে মুসলিম পরিবারে থাকে খাবার-দাবারের বিশেষ আয়োজন।

বাজার ঘুড়ে আমাদের প্রতিনিধির রিপোট, এ আয়োজনে যেসব পণ্যের ব্যবহার বেশি হয় সেগুলোর দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। চিনি, ছোলা, বুটের ডাল, পেঁয়াজ, রসুন, মাংস ও সবজির দাম গত এক সপ্তাহ ধরে বেড়েছে। প্রতি কেজিতে এসব পণ্যের দাম বেড়েছে ৫ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত।

ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। কিন্তু গত দুই দিনে কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ব্রয়লার মুরগি ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

একই হারে বেড়ে সোনালি মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা ও লেয়ার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পৌ

রসভা কাচা বাজারের মুরগি বিক্রেতা সামিম বলেন, শবেবরাতের বাড়তি আয়োজনে কেনাবেচা বেশি হচ্ছে। এতে মুরগির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। গত দুই দিন ধরে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে কেজিতে গড়ে ১০ টাকা।

শুধু মুরগি নয়, বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংসও। কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৫০০ থেকে ৫২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস। প্রতি কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে খাসির মাংস বিক্রি হয় ৭০০থেকে  ৭৫০টাকায়।

রুই মাছ ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, কাতলা ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, পাঙ্গাশ ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা ও তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। সবজির দামও বেড়েছে।

গতকাল প্রতি কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে টমেটো ও শসা ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
খুচরা বিক্রেতারা জানান, শবেবরাতের আয়োজনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় চিনি। চিনির দাম দুই সপ্তাহ আগেই পাইকারিতে ৭ টাকা বেড়েছে। এ কারণে এখন খুচরায়ও একই হারে দাম বেড়েছে। আখের লাল চিনি বিক্রি হয়েছে ৭০ টাকা দরে।

অনেক দিন ধরে স্থিতিশীল থাকা ছোলার দাম ইতিমধ্যে বেড়ে গেছে। গত কয়েক দিনে কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৮৫ থেকে ৯০ টাকা, বুটের ডাল ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গতকাল প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ২৮ থেকে ৩২ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ৩০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি চীনা রসুন ২১০ থেকে ২৩০ টাকা ও দেশি রসুন ১০০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য