সমুদ্রে ভেসে যাচ্ছে সাদা রঙের স্পিড বোটে অল্পবয়সী ছেলেমেয়েদের হুল্লোড়। মুখে নরম পানীয়, ঠোঁটে গান সঙ্গে স্কুবা ডাইভিং। কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও কি লক্ষ্য করেছিলেন আপনার প্রিয় সুপারস্টারকে? নাও করতে পারেন। কেননা তখন সালমানের বয়স মাত্র ১৫। রোগা চেহারায় জিন্স আর টি-শার্টে এই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেই প্রথম টিভির পর্দায় এসেছিলেন বজরঙ্গী ভাইজান।

কিন্তু কী ভাবে এই বিজ্ঞাপনে কাজ পেয়েছিলেন তিনি? খুব সহজেই আপনার মনে হতে পারে সেলিম খানের ছেলে হওয়ায় ইন্ডাস্ট্রিতে সোনার চামচ মুখে নিয়েই জন্মেছিলেন সলমন। তাই অভিনয়ে পা দেওয়া তার কাছে ছিল নিতান্তই সময়ের অপেক্ষা।

আসল কারণটা কিন্তু ছিল অনেকটাই আলাদা। স্টার কিড হওয়ার জন্য নয়, ভাল স্কুবা ডাইভ জানতেন বলেই এই বিজ্ঞাপনটিতে সুযোগ পেয়েছিলেন সালমান। আসলে সেই সময় বিজ্ঞাপনটির পরিচালক কৈলাশ সুরেন্দ্রনাথ একজন ভাল সাঁতারুর খোঁজ করছিলেন। কারণ বিজ্ঞাপনটিতে বেশ খানিকটা অংশ জুড়ে ডুব সাঁতার দেখানো হয়েছে। আন্দামানে চলছিল বিজ্ঞাপনটির শুটিং।

এই সময়ই কৈলাসের গার্লফ্রেন্ড আরতি সালমানের খোঁজ পান। আরতির বাবার বন্ধু ছিলেন সেলিম খান। আরতিও ওই বিজ্ঞাপনটিতে অভিনয় করেছিলেন। তবে সালমানের বয়স কম হওয়ায় প্রথমে তাকে নিতে একটু দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন পরিচালক। কিন্তু সালমানের স্কুবা ডাইভ দেখার পর আরতি কৈলাসকে বলেছিলেন সল্লুভাই পারফেক্ট। তবু সালমানের লুক নিয়ে খুঁতখুঁত করছিলেন পরিচালক। পরিচালকের সমস্ত দ্বিধা কেটেছিল সালমান শার্ট খোলার‌ পর।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য