দিনাজপুর সংবাদাতাঃ বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ শ্রম বাজারে প্রবেশ করে। এর মধ্যে শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ কর্মসংস্থানের সুযোগ সাধারণত অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে (ইনফরমাল সেক্টর) সৃষ্টি হয়ে থাকে। এই বিশাল জনশক্তির অধিকাংশই প্রয়োজনীয় দক্ষতা ছাড়া উক্ত খাতভিত্তিক কাজে নিয়োজিত হয়। এই খাতে চাকুরী গ্রহনকারী এবং প্রদানকারী উভয়েরই আইন, নিয়ন্ত্রনমূলক কাঠামোর প্রতি আনুগত্য, শ্রম অধিকার ও শোভন কাজের ক্ষেত্র সম্পর্কে অসচেতন।

এজন্যই বি-স্কিলফুল প্রকল্প তাদের নিয়ে কাজ করছে। সব পক্ষকে তাদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করতেই বি-স্কিলফুল সদা তৎপর। এছাড়া দরিদ্র ও অনগ্রসর নারী ও পুরুষের জীবনযাত্রার মান উন্নতিকল্পে, শ্রম বাজারে প্রবেশের সুযোগ ও আয় বৃদ্ধি করা এবং কর্মক্ষেত্রে তাদের মৌলিক অধিকার সমূহের যথাযথ রক্ষনাবেক্ষণের ব্যবস্থা করাই এ প্রকল্পের লক্ষ্য। তাই ১৮ থেকে ৪০ এমন বয়সী দেশের ৪০ হাজার নারী ও পুরুষকে নিয়ে কাজ শুরু করা হয়েছে।

বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ আয়োজিত দিনাজপুরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিকদের নিয়ে বি-স্কিলফুল শ্রম অধিকার ও শোভন কাজ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। ৯ মে মঙ্গলবার সকালে শহরের মহিলা বহুমুখী শিক্ষা কেন্দ্র এমবিএসকে অডিটোরিয়ামে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও সুইচ এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট’র সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মোঃ রেজা হুমায়ুন ফারুক চৌধুরী শামীম।

বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ বিডব্লিউসিসিআই’র সভাপতি জান্নাতুস সাফা শাহীনুরের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন বি-স্কিলফুল প্রকল্পের সমন্বয়কারী ফেরদৌস ভুঁইয়া, বিডব্লিউসিসিআই’র সমন্বয়কারী হেমন্ত কুমার মহন্তসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। বিডব্লিউসিসিআই’র প্রশিক্ষক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ও এএসএম সারোয়ার আলমের প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় কর্মশালায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিকগণ অংশগ্রহন করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য