সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে লেবাননি গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর নিয়ন্ত্রণাধীন একটি অস্ত্রাগারে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।

বৃহস্পতিবারের ওই হামলার লক্ষ্যস্থল অস্ত্রাগারটিতে ইরানের সরবরাহ করা অস্ত্র মজুত করা হতো বলে জানিয়েছে স্থানীয় এক গোয়েন্দা সূত্র, খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

ইরানের বাণিজ্যিক ও সামরিক পরিবহন বিমানগুলো নিয়মিতভাবে এই গুদামের জন্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অস্ত্রের চালান নিয়ে আসে বলে জানিয়েছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সূত্রটি।

ইরান সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের বিশ্বস্ত আঞ্চলিক মিত্র।

ওই সূত্র জানিয়েছে, ওই অস্ত্রের গুদাম থেকে সিরিয়ায় যুদ্ধরত ইরান সমর্থিত বেসামরিক বাহিনীগুলোকে হিজবুল্লাহর তত্ত্বাবধানে অস্ত্র সরবরাহ করা হয়।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক পর্যবেক্ষক গোষ্ঠী সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটসের বরাতে বিবিসি দামেস্ক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটার খবর জানিয়েছে।

অবজারভেটরির প্রধান রামি আব্দেল রহমান বলেছেন, “বিস্ফোরণটি ব্যাপক ছিল এবং দামেস্ক থেকেও এর আওয়াজ শোনা গেছে।”

দামেস্ক থেকে ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বের ওই ঘটনাস্থলে বিস্ফোরণের পর বড় ধরনের আগুন জ্বলতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

হিজবুল্লাহ পরিচালিত আল মানার টেলিভিশনের বরাতে সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, ইসরায়েলি বিমান হামলায় বিস্ফোরণটি ঘটে থাকতে পারে। বিস্ফোরণে শুধু বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কোনো প্রাণহানী হয়নি বলে দাবি করেছে আল মানার।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ সরাসরি হামলা চালানোর দায় স্বীকার করেনি; তবে হামলাটি তাদের ‘নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ’ বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির গোয়েন্দা মন্ত্রী ইসরায়েল কাতজ্।

এর আগেও বেশ কয়েকবার হিজবুল্লাকে পাঠানো অস্ত্রের চালান লক্ষ্য করে সিরিয়ায় বিমান চালিয়েছে ইসরায়েল।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য