ঢাকা-কোলকাতা-ঢাকা রুটের ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর ভূতল নিগমের বাস থেকে ৩১ কেজি সোনা উদ্ধার করেছে ভারতের শুল্ক দফতরের গোয়েন্দারা। গতকাল (বুধবার) রাতে পশ্চিমবঙ্গের বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোনা উদ্ধারের কথা স্বীকার করা হয়।

পুলিশের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একটি সংঘবদ্ধ আন্তর্জাতিক সোনা পাচারকারী দল দীর্ঘদিন থেকে কোলকাতা-ঢাকা রুটের যাত্রীবাহী বাসকে সোনা পাচারের মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করে আসছিল। ২৫ এপ্রিল (মঙ্গলবার) রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তারা জানতে পারেন যে, ভূতল পরিবহনের বাসের চালক ও সুপারভাইজারের মধ্যস্থতায় বড় একটি চক্র সোনার চালান নিয়ে ভারতের আসছে।

সেই মতোই পেট্রাপোল সীমান্ত থেকেই গোয়েন্দারা গাড়ি অনুসরণ করেন। রাত সাড়ে নটার দিকে সল্টলেকের করুণাময়ী বাসস্ট্যান্ডে গাড়ির গন্তব্যে পৌঁছার পর গোয়েন্দারা তল্লাশি শুরু করেন এবং দুটি বাস থেকে প্রায় ৩১ কেজি সোনার বিস্কুট এবং অলঙ্কার উদ্ধার করেন। ভারতে এর বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে নয় ভারত-কোটি রুপি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোনা পাচারের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পশ্চিমবঙ্গ ভূতল পরিবহন নিগমের দুজন চালক এবং একজন সুপারভাইজারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এই গ্রেফতারের ঘটনা স্বীকার করেছেন ভূতল পরিবহনের চিফ অপারেটর অবণী ঘোষ। বুধবার রাতে তিনি জানান, শ্যামলী পরিবহনের গাড়ি হলেও এই বাসটি রাজ্য সরকারের পরিবহন নিগম লিজ নিয়ে চালাচ্ছে। এই গাড়ির দায়িত্ব তাদের।

ভারতের শুল্ক দফতর সূত্রে জানা গেছে, শুধু মাত্র চলতি মাসেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ১০৫ কেজি সোনা উদ্ধার করেছে দফতরের গোয়েন্দারা

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য