দিনাজপুর সংবাদাতাঃ কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে দিনাজপুরের বিরলে বিজোড়া ইউনিয়নে বিস্তৃর্ণ এলাকার পাকা ধান ডুবে যাওয়ায় দরিদ্র কৃষকদের চোখে মুখে দেখা দিয়েছে হতাশা। সারা বছর কি খাবে? তারা কিভাবে মহাজনের ঋণ শোধ দিবে এই চিন্তায় তাদের ঘুম নেই। অন্যদিকে অকাল বর্ষণের ফলে পুকুরে প্রায় লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ ভেসে গেছে।

বিরলের ৭নং বিজোড়া ইউনিয়নের শ্রীকৃষ্ণপুর পালপাড়া গ্রামে শ্রী মহাদেব চন্দ্র পাল, শ্রী মানিক চন্দ্র পাল, শ্রী গণেশ চন্দ্র পাল এবং অমর আলী এর প্রায় সবটুকু জমির পাকা ধান পানিতে ডুবে যায়। ডুবে যাওয়া পাকা ধানে এখন পচন ধরেছে। তারা অভিযোগ করে বলেন শ্রীকৃষ্ণপুর ক্যানেলটি মাটি দিয়ে ভরাট হয়ে গেলেও স্থানীয় প্রশাসন এর খননের ব্যবস্থা না করায় পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে ধানের জমিতে পানি জমে থাকছে। ফলে একরের পর একর জমি পানিতে ডুবে গেছে।

আর পানি পুকুরকে প্লাবিত করে মাছের সর্বনাশ ডেকে আনছে। জমির ধানের উপর পালপাড়া গ্রামের কৃষকরা নির্ভরশীল হওয়ায় সারা বছরের খাবারের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। মরার উপর খাড়ার ঘাঁ হিসাবে রয়েছে মহাজন ও বিভিন্ন এনজিওর ঋণ। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন বিজোড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: আমজাদ আলী ও মেম্বার মো: আপেল।

তারা কৃষকদের কিছু শান্তনার বানী শুনিয়ে চলে যান। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মহাদেব চন্দ্র পাল, মানিক চন্দ্র পাল, গনেশ চন্দ্র পাল ও অমর আলী সহ শ্রীকৃষ্ণপুর পালপাড়ার ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র কৃষকদের আবেদন সরকার তাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সব ধরনের সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবে এমনটি প্রত্যাশা ভুক্তভুগি এলাকাবাসী।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য