রংপুরের আদর্শপাড়া এলাকার আদর্শ কিন্ডারগার্টেন স্কুলের কেজি-টু এর শিক্ষার্থী মুশফিকুর রহমান দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনছে। গত চার বছর আগে একমাত্র শিশুকন্যা মিমকে হারানোর পর এবার একমাত্র ছেলের দুরারোগ্য ব্যাধিতে পাগলপ্রায় মুশফিকুরের বাবা গোলাম মোস্তফা ও তার মা।

ছেলেকে বাঁচাতে দেশে ও দেশের বাইরে সকল মানুষের প্রতি সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

একটি কসমেটিকস কোম্পানীর মাকের্টিং বিভাগে কর্মরত নিউ আদর্শপাড়া এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে অবস্থান করা গোলাম মোস্তফা জানান, তার স্থায়ী ঠিকানা মিঠাপুকুরের রানীপুকুর গ্রামে। গত বছরের জুলাইতে মুশফিকুর অসুস্থ হয়ে পড়ে।

এরপর তাকে নিয়ে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজে গেলে সেখানকার শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. আফিকুল আসলাম অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানান যে, মুশফিকুর (ঋঅঘঈঙঘও অঘঅঊগওঅ) রোগে আক্রান্ত। যা বাংলাদেশে এর চিকিৎসা সম্ভব না। তাকে বাঁচাতে ভারত অথবা সিঙাপুরে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

এরপর গত নভেম্বরে ভারতের ভেলুরে (চেন্নাই) ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার চিকিৎসক ডা. ফৌজিয়া জানান, মুশফিকুরকে বাঁচানোর জন্য বোন মেরু প্রতিস্থাপন করা জররুরী। এর জন্য প্রায় ৪৫ লাখ টাকা প্রয়োজন। যা গোলাম মোস্তফার একার পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব না।

রফিকুল জানান, ২০১১ সালে একমাত্র মেয়ে মিম জন্মগ্রহন করে। ১৫ মাস বয়সে ২০১৩ সালের ৩০ জানুয়ারী ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় মিম। একমাত্র মেয়েকে হারানোর শোক কাটতে না কাটতেই একমাত্র ছেলে মুশফিকুর আজ মুত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে।

তাই ছেলের জীবন বাঁচাতে সাহায্যের হাত বাড়াতে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

যোগাযোগ ও সাহায্য পাঠানোর জন্য ০১৭১৬-১৮৯৫৩৬ (বিকাশ করা) এবং গোলাম মোস্তফা, সঞ্চয়ী হিসাব নং-০০০০৬৩৪০৭৭১৮১, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, রংপুর শাখা অথবা গোলাম মোস্তফা, সঞ্চয়ী হিসাব নং-০১২২১২১০০০১৩৩৯১, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড, রংপুর শাখা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য