সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে কুর্দি ওয়াইপিজি যোদ্ধাদের একটি সদরদপ্তরে তুরস্কের বিমান হামলায় গোষ্ঠীটির অন্তত ১৮ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোররাতে হামলাটি চালানো হয় বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক পর্যবেক্ষক গোষ্ঠী সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস।

তুরস্কের বিমান হামলায় তাদের কতোজন যোদ্ধা নিহত হয়েছে তাৎক্ষণিকভাবে তা জানায়নি ওয়াইপিজি।

সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের (আইএস) এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ওয়াইপিজি ও যুক্তরাষ্ট্র পরস্পরের মিত্র হিসেবে কাজ করছে।

মঙ্গলবার ভোররাতে প্রতিবেশী ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় সিঞ্জার অঞ্চলে কুর্দি বেসামরিক যোদ্ধাদের অবস্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে তুরস্ক।

তুরস্কের নিষিদ্ধ ঘোষিত কুর্দি রাজনৈতিক দল কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) সঙ্গে সিরিয়া ও ইরাকের কুর্দি বেসামরিক বাহিনীগুলোর নিবিড় যোগাযোগ আছে বলে সন্দেহ তুরস্কের।

তুরস্কের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তুরস্কে হামলা চালানোর জন্য অস্ত্র ও বিস্ফোরক পাঠানো বন্ধ করতেই পিকেকের অবস্থানে হামলা চালানো হয়েছে।

এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, “আমাদের দেশ ও জাতির নিরাপত্তা, একতা ও একাগ্রতার ক্ষেত্রে হুমকি সৃষ্টিকারী সন্ত্রাসীদের আস্তান ধ্বংস করতে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী আমাদের অধিকারবলেই বিমান হামলা চালানো হয়েছে।”

মঙ্গলবার ভোররাত ২টায় হামলাগুলো চালানো হয় বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

এক বিবৃতিতে ওয়াইপিজি জানিয়েছে, হামলায় মালিকিয়ার নিকটবর্তী তাদের মাউন্ট কারাচোকের সদরদপ্তরটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এছাড়া একটি গণমাধ্যম কেন্দ্র, স্থানীয় একটি রেডিও স্টেশন, যোগাযোগ স্থাপনা ও সামরিক প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য