মোঃ আবেদ আলী, বীরগঞ্জ থেকেঃ বীরগঞ্জে মোবাইলে প্রেম-বিয়ের দাবীতে ৫দিন ধরে প্রেমিকার বাড়ীতে কিশোর প্রেমিক অনশন করছে। কনের বাড়ীতে দলে দলে নারী-পুরুষের ভীর করছে।

উপজেলা সদর থেকে ৩০ কিলোমিটার উত্তরে শিবরামরামপুর ইউনিয়নের ভেলাপুকুর গ্রামের খোকা মিয়ার মেয়ে মুরারীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী আফরোজা খাতুনের সাথে ৮ মাস আগে মোবাইল মিসকলের মাধ্যমে একই ইউনিয়নের মুরারীপুর গ্রামের সুলতান আলীর ছেলে জসিম উদ্দিনের প্রথম পরিচয় হয়। মোবাইলে কথা বলার পর তাদের ভাল লাগা থেকে ভালবাসা। ভালবাসার এক পর্যায় প্রেম অতঃপর গভীর প্রেমে রূপ নেয়। তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ঘর বাধার স্বপ্ন দেখে।

গত মঙ্গলবার রাত সারে ১১টায় কিশোরী প্রেমিকা স্কুল ছাত্রীর আমন্ত্রনে কিশোর প্রেমিক জসিম উদ্দিন আফরোজার শেওয়ার ঘরে অবস্থান নেয়। প্রতিবেশী লোকজন প্রেমিককে শোওয়ার ঘরে আটকিয়ে উত্তম মধ্যম দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জসিম জানায় সে তার প্রেকিাকে বিবাহ না করে বাড়ী ফিরে যাবে না। প্রেমিকা জানায় তাদের প্রেমের তথ্য ফাঁস হয়ে গেছে তার সাথে বিবাহ না হলে প্রয়োজনে সে আত্মহত্যা করবে। প্রেমিক-প্রেমিকার অবস্থান বুঝতে পেরে আফরোজা ও জসিমের পরিবারের লোকের স্থানীয় মাওলানা-কাজী, জনপ্রতিনিধি দেওয়ানিয়া, মহৎ-প্রধানদের সাথে ৫ দিন ধরে শোলা পরামর্শ করে বিষটির সমাধান দিতে পারেনি।

জসিমের বাবা সুলতান আলী, আফরোজার বাবা খোকা মিয়া, ভগ্নিপতি আশরাফুল ইসলাম, এলাকার মাতব্বর আব্দুস সাত্তার, মতিন সিরাজী সহ এলাকাবাসী জানান, ছেলে মেয়ে বিবাহে রাজি আমরা বাঁধা হয়ে বিবাহ আটকাবো কেন ? জেল হোউক আর ফাঁসি হোউক ২টি জীবন রক্ষার জন্য নোটারী পাবলিকে এফিডেফিট করে কাজী রেজিট্রির মাধ্যমে শুভ কাজটুকু সেরে ফেলবো।

এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত স্কুল ছাত্রী কিশোরীর বাড়ীতে কিশোর প্রেমিকের বিবাহের দাবিতে অনশন অব্যাহত রয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য