ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ দিনাজপুর ঘোড়াঘাটে বোর ক্ষেতে ব্লাষ্ট রোগ দেখা দেওয়ায় আতংাকত হয়ে পরেছে উপজেলার কৃষকেরা। কৃষি বিভাগের পরামর্শে সংক্রতি জমিতে কীটনাশক স্প্রে করেও শেষ রক্ষা পাচ্ছেনা কৃষকরা। জমির কোন এক জায়গায় ব্লাষ্ট (শিষের নিচের অংশ) পচা রোগ দেখা দেয়, পরে তা মুহর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পরে পুরো জমিতে। অন্য যে সব বোর ক্ষেতে এখনও ব্লাষ্ট রোগ দেখা দেয়নি সে সব জমিতে ব্লাষ্ট রোগ ছড়ানো আশংকায় নিয়মিত স্প্রে করেও আতংকে রয়েছে উপজেলার কৃষকরা ।

ব্লাষ্টের আক্রমনের ভয়ে নির্ঘুম রাত কাটাছে কৃষকদের। কৃষি বিভাগের লিফলেট পরামর্শে মোতাবেক বোরো ক্ষেতে ট্রাইসাইক্লোজল গ্রুপের ছত্রনাশক নাটিভো, থিলিয়া, এম্যাটারটোপ স্প্রে করে কোন প্রতিকার ঔষধের কার্যকরিতা হবে কি না তা নিয়ে সংসয় থাকছে কৃষকদের। এই ঔষধ রোগের জন্য প্রযোজ্য কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কৃষকরা। ধানের ফলন ভালো হলেও হঠাৎ করে আবহাওয়ার প্রাতিকুলতায় দ্রুত সময়ে ছড়িয়ে পরছে এ ব্লাষ্ট রোগ (শিষের নিচের অংশ) পচা রোগ। এ রোগের  প্রতিরোধে কৃষকের মাঝে নান পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে কৃষি বিভাগ। কিন্তু আক্রান্ত জমিতে ছত্রনাশক স্প্রে করেও কোন কাজ হচ্ছে না।

স্প্রে করার পর এক থেকে ২ দিনের মধ্যেই এ রোগ ছড়িয়ে পরছে পুড়ো জমিসহ পার্শ্ববর্তী জমিতে। এ অবস্থায় কৃষকের বেঁচে থাকার একমাত্র ভরসা ধান ক্ষেত সাদা হয়ে চিটা হয়ে যাওয়া দুঃচিন্তা পরেছে কৃষকরা। কৃষি বিভাগ জানান, বৈরি আবহাওয়ার কারনে এ রোগ দেখা দিচ্ছে। উপজেলার রামেশ্বরপুর গ্রামের মতিন মিয়া জানান, হঠাৎ ধানের শীষ সাদা হয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন দোকান দারেরা কম্পানির ঔষধ দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে। সে মোতাবেক ঔষধ স্প্রে করছি।

এ রকম গ্রামের কৃষক সাইদুল, মাহাবুবুর রহমান, আবুল মাজান, জলিল, শফিকুল এ অভিাযোগ করেছেন। এ অবস্থায় সর্বশান্ত হয়ে হয়ে যাবেন বলে তার জানান। উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা  রেজয়ান বলে আবহাওয়ার প্রতিকুল হওয়ায় ব্লাষ্ট রোগ দেখা দিয়েছে। আমরা কৃষকদের ট্রুপার, দিপা সালফাইটার দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি। আর যে সব জমিতে একনো দেখা দেইনি সেসব জমিতে কাসোবিন, নাটিভো, থিলিয়া,এম্যাটারটোপ স্প্রে করার পরামর্শ দিচ্ছি।

পানির চরা দাম, সার, ঔষধ, রোপন, নিরানি, চাষাবাবদ, আনে খরচ হওয়ায় এক দিকে এ ব্লাষ্ট রোগের আক্রন্ত হওয়ায় ঔষধের দাম চরা দামে কেনায় কৃষক এখন দিশেহারা হয়ে পরেছে। উপজেলা পালগাড়ী গ্রামের আব্দুল, জিয়ারুল গাজি জানান, আমরা যথা সাধ্য মতো চেষ্টা করছি আর জেন ক্ষতি না আসে। উপজেলা কৃষি অফিসার রেজয়ান জানান, উপজেলায় ১২শত হেক্টর পরিমান জমিতে বোর ধানের চাষ হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য