ভোটের আর মাত্র ৩ দিন বাকি। বিরলের ২টি ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীরা আচরণবিধি তোয়াক্কা না করে রঙ্গিন ব্যানার, ফেস্টুন, তোরণ, একাধিক অফিসঘর, মোটর সাইকেল শো-ডাউন, গভীর রাত অবধি প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে গেলেও প্রশাসনের নজরে পড়ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। কাজির গরু কিতাবে আছে- গোয়ালে নেই প্রবাদ বাক্যের মত রঙ্গিন ব্যানার, ফেস্টুন, তোরণ নির্মাণের নিয়ম নীতি ভেঙ্গে প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে দিব্যি।
[ads1]
বুধবার দিনব্যাপী ঘুরে সরজমিনে দেখা গেছে, ৭নং বিজোড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আমজাদ হোসেনের নৌকা প্রতীক সম্বলিত দলীয় অফিস এলাকাবাসীর নজর কাড়লেও অদ্যাবধি প্রশাসনের নজরে পড়েনি। আচরণ বিধির তোয়াক্কা না করে বিজোড়া বাজারে নির্মিত হয়েছে বিশালাকার নৌকা প্রতীক ও অফিস ঘর। তিনি ইউনিয়ন এলাকায় বিজোড়া বাজার, চৌমুহনী বাজার, কাঞ্চন বাজারে নৌকা প্রতীকের একাধিক অফিস ঘর করে প্রচারণা চালা”েছন। লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী সামসুজ্জামানসহ অন্যান্য প্রার্থীরা নিয়মিত মোটর সাইকেল শো-ডাউন দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
[ads1]
১১ নং পলাশবাড়ী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী খায়রুল ইসলাম খোকনের নৌকা প্রতীক সম্বলিত বিশাল তোরণ এলকাবাসীর দৃষ্টি কাড়লেও প্রশাসনের নজরে পড়েনি। আচরণ বিধির তোয়াক্কা না করে তিনি পলাশবাড়ী-বিজোড়া সড়কে নির্মাণ করেছেন বিশাল তোরণ। এলাকার সড়কে সড়কে প্রার্থীরা ছাড়াও বহিরাগতদের রঙ্গিন ব্যানার ফেস্টুন চোখে পড়ার মত রয়েছে। আনারস প্রতীকের প্রার্থী আবদুস সবুর সারাঙ্গাই দত্তপাড়া মোড় ও চকের হাট বাজারে দুইটি পৃথক অফিস খুলে প্রচারণা চালা”েছন।

অন্যান্য প্রার্থীরা দিন-রাত সমানতালে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, আচরণ বিধিসহ সার্বিক বিষয়ে ২জন করে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট দায়িত্বে আছেন নির্বাচনী এলাকায়। আচরণবিধি লঙ্ঘণের বিষয়ে কেউ কোন অভিযোগ এখনও জানায়নি। অভিযোগ ছাড়া ব্যব¯’া নেয়া হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দায়িত্ব ম্যাজিষ্ট্রেটের।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য