ওই ভিডিও পোস্ট করে জয়েস ডি আনসপাচ নামের একজন টুইটারে লিখেছেন, ফ্লাইটে যাত্রী নেওয়া হয়েছিল আসনের চেয়ে বেশি। আর ইউনাইটেডের চার কর্মীর পরদিন কাজে যোগ দেওয়ার জন্য যাওয়ার প্রয়োজন ছিল। তারা চাইছিল, যাত্রীদের মধ্যে চারজন যেন স্বেচ্ছায় নেমে যান।

কিন্তু কেউ নিজে থেকে নেমে যেতে রাজি না হওয়ায় তারা আমাদের বেছে নেয়। তারা একজন এশীয় চিকিৎসক ও তার স্ত্রীকেও নেমে যেতে বলে। কিন্তু ওই চিকিৎসকের পরদিন হাসপাতালে ডিউটি। তাই তিনিও আপত্তি করেন। দশ মিনিট পর ওই চিকিৎসককে রক্তাক্ত অবস্থায় উড়োজাহাজ থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়, তিনি বার বার বলছিলেন, ‘আমার বাড়ি যেতে হবে’।

অড্রা ডি ব্রিজেস নামের আরেক যাত্রী ফেইসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট করে লিখেছেন,  তারা ইচ্ছেমত যাত্রীদের বাছাই করে নিল, যাতে তাদের বের করে দিয়ে নিজেদের কর্মীদের বসাতে পারে। ওই লোকটা একজন ডাক্তার, কাল সকালে তা হাসপাতালে ডিউটিতে থাকার কথা। তাই সে যেতে চাইছিল না।

শিকাগোর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বলছে, ওই ঘটনায় যে তিন নিরাপত্তা কর্মী জড়িত ছিলেন, তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। ওই ঘটনা তদন্ত করেও দেখা হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য