বিরল সংবাদাতাঃ বিরলের ধর্মপুর ইউপি’র কালিয়াগঞ্জ বাজারেরর হাতুড়ে ডাক্তার সাখাওয়াতের ভূল চিকিৎসায় এলাকার অনেক রোগী নানা জটিল রোগে আক্রান্তের অভিযোগ উঠেছে। হাতুড়ে ডাক্তার শুধু ভূল চিকিৎসা দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি বরং এলাকার যুবসমাজকে ধ্বংসের লক্ষ্যে মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সেবনে অভ্যস্ত করে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।

এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে কালিয়াগঞ্জ এসসি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির এক ছাত্রের সাথে। ডেসোপ্যান-২ মি.গ্রা. ২টি টেবলেট এর মূল্য ২০ টাকা হাতিয়ে নিয়ে ঐ ছাত্রকে সেবনের উদ্দেশ্যে দেয়া টেবলেট খেয়ে দীর্ঘ ৩০ ঘন্টা অজ্ঞান অবস্থায় থাকা ছাত্রের জ্ঞান ফিরে এলে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি জনসম্মূখে প্রকাশ পায়।
[ads1]
জানা গেছে, বিরলের ধর্মপুর ইউপি’র নলপুর গ্রামের বিজয় চন্দ্র রায়ের ১০ম শ্রেণি পড়ুয়া পুত্র শিমুল সরকার (১৫) কালিয়াগঞ্জ বাজারেরর হাতুড়ে ডাক্তার সাখাওয়াতের নিকট ২১ মার্চ সন্ধ্যায় পেটের পীড়ার ওষুধ নিতে এলে তার নিকট থেকে হাতুড়ে ডাক্তার সাখাওয়াত হোসেন ডেসোপ্যান-২ মি.গ্রা. ২টি টেবলেট এর মূল্য ২০ টাকা হাতিয়ে নেয়।

ঐ ছাত্রকে সেবনের উদ্দেশ্যে দেয়া টেবলেট খাওয়ার পর থেকে দীর্ঘ প্রায় ৩০ ঘন্টা ছাত্রটি অজ্ঞান অবস্থায় থাকলে পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। পরে অন্যত্র চিকিৎসার পর ছাত্রটির জ্ঞান ফিরলে সে জানায় হাতুড়ে ডাক্তার সাখাওয়াতের মা ফার্মেসী নামক দোকান থেকে সে ২টি টেবলেট খেয়ে ঘুমিয়েছিল।

এ ব্যাপারে ঐ ছাত্রের পিতা বিজয় চন্দ্র হাতুড়ে ডাক্তারের সরনাপন্ন হলে সে ফার্মেসী বন্ধ করে সটকে পড়ে। পরে হাতুড়ে ডাক্তার ও তার পরিবার বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ী না করার জন্য হুমকি দিলে বিজয় চন্দ্র হতাশায় মূখ খুলতে নারাজ হয়। এ ব্যাপারে স্থানীয় এলাকাবাসী হাতুড়ে ডাক্তার সাখাওয়াতের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য