দিনাজপুরনিউজ ডেক্সঃ দোল পূর্নিমার হোলি উৎসব ব্যপক উৎসাহ উদ্দিপনা আর উৎসবমুখর পরিবেশে দিনাজপুরে পালিত হয়। সোমবার (১৩ মার্চ) দিনাজপুরে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিশু-বুড়,  ছেলে-মেয়ে আত্মীয়-স্বজন পাড়া প্রতিবেশি একে অপরকে আবির ও রং ছিটিয়ে দোল পূর্নিমার হোলি উৎসব পালন করে।

চৈত্র মাসের শেষ পূর্ণিমাতে এই উৎসব পালিত হয় বলে এমন নাম। কথিত আছে দৈত্যরাজ হিরণ্যকিশপুর পুত্র ভক্ত প্রহ্লাদ অসুর বংশে জন্ম নিয়েও পরম ধার্মিক ছিলেন। তাঁকে যখন বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও হত্যা করা যাচ্ছিল না তখন হিরণ্যকিশপুর বোন হোলিকা প্রহ্লাদকে কোলে নিয়ে আগুলে প্রবেশের সিদ্ধান্ত নেন। কারণ হোলিকা এই বর পেয়েছিল যে আগুনে তার কোন ক্ষতি হবে না। কিন্তু অন্যায় কাজে শক্তি প্রয়োগ করায় হোলিকা প্রহ্লাদকে নিয়ে আগুনে প্রবেশ করলে বিষ্ণুর কৃপায় প্রহ্লাদ অগ্নিকুণ্ড থেকেও অক্ষত থেকে যায় আর ক্ষমতার অপব্যবহারে হোলিকার বর নষ্ট হয়ে যায় এবং হোলিকা পুড়ে নিঃশেষ হয়ে যায়, এই থেকেই হোলি কথাটির উৎপত্তি ।

অন্যদিক বসন্তের পূর্ণিমার এই দিনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কেশি নামক অসুরকে বধ করেন। কোথাও কোথাও অরিষ্টাসুর নামক অসুর বধের কথাও আছে। অন্যায়কারী, অত্যাচারী এই অসুরকে বধ করার পর সকলে আনন্দ করে। এই অন্যায় শক্তিকে ধ্বংসের আনন্দ মহাআনন্দে পরিণত হয়।

অঞ্চল ভেদে হোলি বা দোল উদযাপনের ভিন্ন ব্যাখ্যা কিংবা এর সঙ্গে সংপৃক্ত লোককথার ভিন্নতা থাকতে পারে কিন্তু উদযাপনের রীতি এক। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পাড়া-মোহল্লায় এই উৎসবের আয়োজন করা হয়। দিনাজপুরে শান্তি পূর্ণ পরিবেশে দোল পূর্নিমার হোলি উৎসব পালন করে। ছবিঃ রফিক প্লাবন

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য