ধানের ভরা মৌসুমে কাহারোলে চালের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। সব জাতের চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষ ও অল্প আয়ের মানুষ বিপাকে পড়েছেন। এ সময় চালের বাজার নিম্ন মূখী থাকার কিন্তু ভরা মৌসুমে চালের মূল্য অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ায় সর্বস্তরের মানুষ দুঃচিন্তায় পড়েছেন, মিলার ও বড় চাল ব্যবসায়ীরা চালের সরবরাহ কমিয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে বাজারে এর বিরুপ প্রভাব চালের দাম সহনীয় মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।

খুচরা ও পাইকারী চাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে দাম বৃদ্ধির এমন কার্ষাদির চিত্র মিলেছে। বাজার সূত্রে জানা যায়, গত একপক্ষ কালে চালের বাজার হঠাৎ উর্ধ্বমূখী হয়েছে। বাজারে ৩৫ টাকার নিচে কোন চাল মিলছে না, চালের জাত ভেদে দফায় দফায় দাম বাড়ছে। হতদরিদ্র ও সাধারণ মানুষের নাগালে নেই চালের বাজার। গত শনিবার উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার, চাল মার্কেট ঘুরে দেখা যায় দাম বৃদ্ধির চিত্র।

খুচরা বাজারে প্রতিকেজি বি,আর-২৮ চাল ৪০/৪২ টাকা, দেশি স্বর্ণ ৩৫ টাকা, পাইজাম ৪৮/৫২ টাকা বিক্রি হচ্ছে। বাজার বৃদ্ধি কারণে সাধারণ মানুষ চাল ক্রয়ে হিমসিম খাচ্ছে। অথচ ধানে ভরা মৌসুমে দাম বৃদ্ধি মেনে নিতে পারছে না অভাবী ও শ্রমজীবি মানুষ। কারণ এই প্রতিবছরই এ সময় বাজারে কেজি প্রতি ৫/৭ টাকা কম পাওয়া য়ায়। কিন্তু এবার বাজার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। কথা হলো খুচরা ব্যবসায়ী কাহারোল বাজারের সোনা মিয়ার সাথে তিনি জানান, বাজারে চাহিদা মত চাল আমদানি হচ্ছে না।

মিলার ও বড় বড় ব্যবসায়ী চালের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছেন। বাজারে সংকট তৈরী হওয়ায় চালের দাম উর্ধ্বমূখী হয়েছে। আর এই কারণে চালের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। অধিক মুনাফা লুটতে মিলার এর সুবিধা গ্রহণ করছে। ব্যবসায়ীরা সরকারের পক্ষ থেকে বাজারে চালের সরবরাহ বাড়ানোর দাবি জানান। অন্যথায় চালের আরও দাম বাড়তে পারে বলে আশাংকা ব্যক্ত করেন খুচরা ব্যবসায়ী ও ভূক্তভোগীরা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য