নীলফামারীর ডোমারে প্রথম স্ত্রী আছমা বেগমকে যৌতুকের কারণে মারধর করে বাড়ী থেকে বের করে দিয়ে এবং তার অনুমতি ছাড়াই স্বপ্না আক্তার নামে ৮ম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে ২য় বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে। বাল্য বিয়ের শিকার ছাত্রীটি হওে, স্বপ্না বেগম। সে জেলার ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নে দক্ষিন বালাপাড়া গ্রামের মোঃ বুলু হোসেনের মেয়ে।

বর হলেন জেলার ডোমার উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের মির্জাগঞ্জ বাজার সাফির পাড়া এলাকার পাড়ার দবির উদ্দিনের ছেলে দুবাই প্রবাসী আবদুল মালেক। এ নিয়ে ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী আছমা। জানা যায়, ওই এলাকার আবদুল মালেক চিলাহাটির সরকার পাড়া গ্রামের আমিনুল ইসলামের মেয়ে আছমা বেগমকে ২০০১ সালে বিবাহ করে। বিয়ের পর তাদের একটি পুত্র সন্তান হয়।

সন্তান হওয়ার পর আবদুল মালেক স্বপ্না বেগমের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পরে। প্রতিনিয়ত মোবাইলে স্বপ্নার সাথে কথা বলে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় সে আছমাকে শারিরিক ও মানসিক নির্যাতন করত। এরই জেরে একলক্ষ টাকা যৌতুক দাবী করে তাকে মারধর করে বাড়ী থেকে বের করে দেয় এবং প্রায় দুই থেকে তিন সপ্তাহ আগে পাশ্ববর্তী ডিমলা উপজেলায় বালাপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী দক্ষিন বালাপাড়া গ্রামের বুলু হোসেনের মেয়ে স্বপ্নাকে তার অনুমতি ছাড়াই ২য় বিয়ে করে স্বপ্নাকে বাড়ীতে নিয়ে আসে।

কনের বাড়ী এলাকা ইউপি চেয়ারম্যান এই বাল্য বিয়েতে বাধা দিলেও মালেক মেয়ের বাড়ীথেকে মেয়েকে তুলে নিয়ে এসে অজ্ঞাত জায়গায় তাকে বিয়ে করে। স্থানীয়রা জাানায়, প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া ২য় বিয়ে এবং বাল্য বিয়ে অপরাধ হলেও আবদুল মালেক প্রকাশ্যে এ কাজ করলেও এখনও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করায় হতাশ হয়ে পরেছে প্রথম স্ত্রী ও তার পরিবার।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য