মাঘের শীতে বাঘ কাপেঁ প্রবাদ বাক্যের কথাটি মিথ্যা নয়। এবার মাঘের শীতে কাপছে রাজিবপুরের চরের মানুষ। গত ৩ দিন ধরে  শৈত্য প্রবাহের মতই তীব্র শীতে কাবু করে ফেলেছে রাজিবপুর বাসীকে। সারা দিন শুধু ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকে আকাশ। গত ৩ দিনে গড়ে ১ ঘন্টা সুর্যোর আলো উঁকি দিয়েছিল।

রাত-দিন বৃষ্টির মত শিশির পড়ে। মনে হয় বৃষ্টি নেমে রাস্তা-ঘাট ভিজে গেছে। এ কারণে প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাহিরে যায় না। রাস্তা ঘাটে যান বাহন চলাচল কমে গেছে। রৌমারী ও ঢাকা গামী বাস-ট্রাক ঘন-কুয়াশার কারণে গন্তব্যে পৌঁছতে দেরি হচেছ। ঘন কুয়াশার কারণে নৌ-পথের ইঞ্জিন চালিত স্যালো-বোট গুলো সময় মত রাজিবপুর ঘাট থেকে ছেড়ে যেতে পারছেনা।

সন্ধ্যার পরে ছেড়ে আসা নৌকা গুলো কুয়াশার কারণে মাঝে মধ্যে যাত্রীদের নিয়ে নদীতেই রাত কাটাতে হচেছ বলে নৌকার মাঝিরা জানিয়েছেন। অপর দিকে দিন মুজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ গুলো পড়েছে বিপাকে।  ঠান্ডায় কাজকর্ম না করে অলস সময় কাটাচেছ ঘরে বসেই। মানুষের মত গবাদি পশু গুলোও পড়েছে বিপাকে।

ঠান্ডায় মানুষের পাশাপাশি গবাদী পশুর রোগ বালাই লেগে আছে।হাসপাতাল ও স্থানীয় কমিউনিটি ক্লিনিকে ঠান্ডা জনিত রোগীর উপচে পড়া ভীড় জমছে। বয়-বৃদ্ধরা ঘরের পাশে আগুনের কুন্ডলী বানিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছে। শীতার্ত মানুষের মাঝে জরুরী শীতবস্ত্র দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন রাজিবপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শফিউল আলম সাহেব।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য