মোঃ শাহজাহান খোকনঃ সেতাবগঞ্জ চিনিকলে আসন্ন ৩১ জানুয়ারী দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে প্রতিদন্ধিতাকারী ৩৫ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রত্যাহারের শেষদিনে যথা সময়ে মাত্র ২জন প্রার্থী যথাক্রমে সাধারন সম্পাদক পদে  প্রশান্ত কুমার চৌহান  ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ মামুনুর রশিদ (নবাব) তাদের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ার আবেদন জমা দেয়।

নির্দিষ্ট সময় বেলা ১২ টা পেরিয়ে যাওয়ার পরে সহকারী নির্বাচন কমিশনার মোঃ আসলাম রনি উপস্থিত সাংবাদিকদের এই ২ জনের মনোনয়ন প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন যেহেতু সময় শেষ হয়ে গেছে তাই আর প্রত্যাহার করার সময় নাই।

সাংবাদিকরা চলে আসার পরে  বেলা ১.৩০ মিঃ থেকে নির্বাচন তপশীল অনুযায়ী সময় শেষ হওয়ার পরেও কোন এক অজ্ঞাত কারনে আবারো প্রত্যাহার করার আবেদন গ্রহন করতে থাকেন। শেষ পযন্ত এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সর্বমোট ৫ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয়।

সময়ের পরে প্রত্যাহার কারীরা হলেন,সভাপতি পদে মোঃ আকতার আলী, সহ-সভাপতি পদে, শ্রী বজ্রবাসী ও কোষাধক্ষ্য পদে মোঃ মোজাহারুল ইসলাম। মোজাহারুল ইসলাম মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করায় তার প্রতিদন্ধি মোঃ রফিকুল ইসলাম রবি বিনা প্রতিদন্ধিতায় কোষাধক্ষ্য নির্বাচিত হয়েছেন।

৩৬ টি মনোনয়ন বিক্রি হলেও সাধারন সম্পাদক পদে শ্রী কৈলাশ চন্দ্র রায়ের মনোনয়ন বাতিল ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে পলাশ চন্দ্র সরকার জমা না দেওয়ায়  ও অসময়ে ৩ জনের প্রত্যাহার সহ সর্বমোট ৫ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিলে বর্তমানে ১১ টি পদে ২৯ জন প্রার্থী প্রতিদন্ধিতা করবেন। তপশীল ঘোষিত সময়ের পওে কেন প্রত্যাহার পত্র গ্রহন করা হলো

এ ব্যপারে সহকারী নির্বাচন কমিশনার গন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এর সহিত যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়ে নিজেরা নিরব থাকেন। প্রধান  নির্বাচন কমিশনার মোঃ হুমায়ুন কবিরের সাথে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার মতামত ও এর সঠিক কারন  জানা যায়নি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য