কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে গত ২ দিন থেকে শুরু হয়েছে শৈত্য প্রবাহ। শৈত্য প্রবাহের কারণে বিদ্যালয় গামী কচি-কাঁচা ছেলে-মেয়েরা অতি কষ্টে বিদ্যালয়ে পৌছেঁ শীতের কারণে ছুটির আগেই চলে যেতে দেখা গেছে। ছিন্নমুল মানুষ গুলো অনেকেই কাজে যোগদান করছে না।

অফিস গামীরা ২দিন ছুিট থাকায় ঘরে বসেই অলস সময় কাটিয়েছেন বলে জানা গেছে। অধিকাংশ রাস্তা ঘাট ছিল  যানবাহন শুন্য। গ্রামের হাট বাজারের চায়ের দোকানে চা খাওয়ার জন্য সর্ব সাধারনের ছিল উপচে পড়া ভীড়। অনেকেই বাড়ির রান্না ঘরে বসে আগুন পোহাচ্ছেন।

মানুষের পাশাপাশি গবাদী পশুও পড়েছে বিপাকে। সারা দিনের কন কনে ঠান্ডা বাতাসে তাদের কাহিল করে ফেলেছে। গত ২৪ ঘন্টায় উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে শীতের কারণে মানুষের পাশাপাশি অসংখ্য গবাদী পশু নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবরও পায়া গেছে। নদী বিছিন্ন চরের মানুষের অবস্থা ছিল আরও সোচনীয়।

কোদাল কাটি ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর ছক্কু জানান, শৈত্য প্রবাহ আমার এলাকার মানুষ যেন একে বাড়ে কাহিল হয়ে পড়েছে। রাজিবপুর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুল আলম বাদল জানান, তার ইউনিয়নের সীমান্ত গ্রামে পাহাড় থেকে  হিমেল হাওয়া বয়ে আসায়  এলাকাবাসীকে কাবু করে ফেলেছে। নদী ভাংগা মোহনগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন জানান, শৈত্য প্রবাহের তার এলাকার হত দরিদ্ররা মানবেতর জীবনযাপন করছে।

ইউপি চেয়ারম্যানগন শীতার্ত মানুষের মাঝে বিত্তশালীদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন। রাজিবপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জানান,সরকারী বরাদ্ধের সকল শীতবস্ত্র গরীব-দু:খীদের মাঝে বিতরন করা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য