ওয়েব ডেক্সঃ দিনাজপুরের কাহারোল থানার আবাসিক ভবন গুলো ভাঙ্গাচুরা জরাজীর্ণ ও বসবাসের অনুপযোগী হওয়ায় পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করতে পারছে না থানার কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কাহারোল থানার অফিস কার্যলয়টি নতুন আধুনিক ভবন হলো, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাস করার আবাসিক ভবন গুলো এখন সবেই পরিত্যাক্ত।

এই ভবন গুলো কখন নির্মান করা হয়েছে, তা সঠিক কেউ বলতে না পারলেও ওসির বাসার ফটোকে কোন সুনিদৃষ্টি কোন তারিখ পাওয়া যায়নি। স্বাধীনতার ৪৫ বছরেও এই ভবন গুলোা কোন প্রকার সংস্কার বা মেরামত করা হয়নি। দীর্ঘদিন আবাসিক ভবনগুলো সংস্কার না করায় এখন পরিত্যাক্ত ভবনে পরিনত হয়েছে।

কৃর্তপক্ষ এই ভবন গুলো বেশ কয়েক বছর পূর্বেই পরিদর্শন করে পরিত্যাক্ত ঘোষনা করলেও এখন পর্যন্ত কোন নতুন ভবন নির্মান করেনি। কাহারোল থানার অফিসার ইনর্চাজ মোঃ মনসুর আলী সরকার বলেন বর্তমানে এই থানায় একজন ওসি ৮ জন উপ-পুলিশ পরিদর্শক ৯ জন সহকারী উপ-পরিদর্শক ও ১৭ জন পুলিশ সদস্য কর্মরত আছেন। এদের কারো থানা ক্যাম্পাসে বসবাসের কোন বাড়ী নাই, নিরাপত্তার কারনে থানার বাহিরেও বসবাস করতে পারছে না।

ফলে তারা সকলে পরিবার পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়েছে। তিনি বলেন, পরিত্যাক্ত ভবন হলেও জীবনের ঝুকি নেয় নিজে এক বসবাস করেন, ক্যাম্পাসের মধ্যে কয়েক জন উপ-পুলিশ পরিদর্শক পরিবার নিয়ে, থানা ক্যাম্পাসের বাহিরে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন, কিন্তু পুলিশ কর্মকর্তাদের বিভিন্ন অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ছুটতে হয় এই জন্য তাদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার ঝুকি নিয়ে বসবাস করতে হচ্ছে।

অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনসুর আলী বলেন, এই থানাটি অতি প্রচীন উচিৎপুর মৌজায় ২ দশমিক ২০ একর জায়গার উপর উপর অবস্থিত। থানাটির প্রধান কার্যালয় ছাড়াও আবাসিক ভবনের জন্য অনেক জায়গা আছে, এখানে থানার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বসবাসের আবাসিক ভবন নির্মান করা হলে, এখানে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুবিধা সহ সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে। এই ব্যাপারে স্থানীয় মহল গণপুত বিভাগের নেক দৃষ্টি কামনা করছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য