01_Aus PMঅস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবট বেশ জোরের সঙ্গেই মালয়েশিয়ার নিখোঁজ বিমানের সন্ধান মিলেছে বলে দাবি করেছেন। অসি প্রধানমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে যে দু’টি বস্তু ভাসতে দেখা গিয়েছে সেগুলো যে নিখোঁজ এমএইচ ৩৭০-বিমানের সে বিষয়ে অনেকটাই নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার টনি অ্যাবট দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে ২৪ মিটার দীর্ঘ দুটি ভাসমান বস্তু দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়ে বলেছিলেন, মনে হচ্ছে ভাসমান ওই বস্তু আসলে মালয়েশিয়ার নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ। অস্ট্রেলিয়া উপকূলের এক নিরাপত্তাকর্মীও জানিয়েছিলেন, পার্থ থেকে প্রায় আড়াই হাজার কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে খোঁজ পাওয়া বস্তু দুটি খুবই অস্পষ্ট। এরপরই এই বিমান তল্লাশি দলের বেশ কয়েকটি বিমান ও জাহাজ অস্ট্রেলীয় উপক‘লে যায়। কিন্তু শনিবার সকালে জানানো হয়, সেখানে কোনো কিছুরই খোঁজ মেলেনি। তবে আজ প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবটের ঘোষণার পর বিশ্বে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রহস্যের পর্দা ওঠার ইঙ্গিত মিলছে। এদিকে, গতকাল মালয়েশিয়ার নিখোঁজ বিমানের আনুমানিক ধ্বংসাবশেষের উপগ্রহ চিত্র প্রকাশ করে চীন। মালয়েশিয়ার পরিবহন মন্ত্রী হিশামুদ্দিন হুসেন শনিবার এই খবর জানান। কুয়ালালামপুরে সাংবাদিকদের হিশামুুদ্দিন জানিয়েছেন চীনা রাষ্ট্রদূতের কাছে কিছু উপগ্রহ চিত্র এসেছে। এই ছবিগুলিতে দেখা যাচ্ছে চীন সাগরের দক্ষিণ করিডোরে কিছু বস্তু ভাসমান অবস্থায় রয়েছে। চীনা সরকার জানিয়েছে এই ভাসমান বস্তুগুলোর উদ্দেশে দ্রুত জাহাজ পাঠানো হবে। কতগুলো ভাসমান বস্তু দেখতে পাওয়া গেছে সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে মালয়েশিয়ার পরিবহন মন্ত্রী জানিয়েছেন একটি বস্তু লম্বায় ৭২ ফুট ও চওড়ায় ৯৮ ফুট। ১৪ দিন আগে স্থানীয় সময় রাত পৌনে একটা নাগাদ কুয়ালালামপুর থেকে বেজিংয়ে রওনা দেয় বিমানটি৷ বিমানে ২৩৯ জন যাত্রী ছিলেন৷ রাত পৌনে তিনটে নাগাদ সুবাং এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমাটির যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে যায়৷ তারপর থেকেই বাড়তে থাকে রহস্য৷ শুরু হয় তল্লাশি৷ তল্লাশির সময় দক্ষিণ উপকূলে ভাসমান তেল ও ধ্বংসাবশেষ দেখতে পাওয়া গেছে বলে দাবি করে ভিয়েতনামের একটি অনুসন্ধান দল৷ কিন্তু পরীক্ষার পর ওই তেল বা ধ্বংসাবশেষ নিখোঁজ বিমানের নয় বলে জানা যায়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য