কবি বেগম সুফিয়া কামালের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভাদিনাজপুর সংবাদাতা ॥ শতাব্দীর নির্ভীক,নির্লোভ, সর্বজনশ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব,নারী জাগরণের অন্যতম পথিকৃত,মহান ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্বসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আালোর দিশারী এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক ও বাহক কবি সুফিয়া কামাল ২০ নভেম্বর ১৯৯৯ তারিখ ৮৮ বছর বয়সে  আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন ।

তার মৃত্যুতে যে বিশাল শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছিল তা কখনই পূরণ হবার নয়। তার ১৭ তম মৃত্যু দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, জেলা কার্যালয় রবিবার বিকেলে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি কানিজ রহমান। সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক ড.মারুফা বেগম জেলা কমিটি।

তিনি বলেন, কবি সুফিয়া কামাল একজন প্রকৃত র্ধমপ্রাণ মুসলমান হয়েও সকলধরনের অন্ধত্ব, গোড়ামি ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে এবং স্বৈর ও সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার কন্ঠ, ঘাতক-দালালদের বিচারের দাবীতে অনমনীয় ব্যক্তিত্ব এবং নারীকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার অনন্ত প্রেরণার উৎস।
সভায় প্রবন্ধ পাঠ করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ,দিনাজপুর জেলা শাখার সহ সাধারণ সম্পাদক মনোয়ারা সানু।

বক্তারা বলেন, শতাব্দীর সাহসিকা কবি সুফিয়া কামাল জাতির বিবেক। তিনি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তার বুকের ভেতরের আগুন ও সাহস, তিনি সঞ্চারিত করে দেন অন্য অনেকের মধ্যে। শুধু সাহসিকা নন, পরম মমতাময়ী, সংকট উত্তরণের সংগ্রামে সাহস ও প্রেরণাদাত্রী। অমিততেজ এই মানুষটি সকলের কাছে ছিলেন অসীম প্রেরণার উৎস, অন্ধকারে আলোর শিখা।

তাঁর আদর্শ ও কর্মময় জীবনের মধ্য দিয়ে তিনি জাতিকে চিরকাল পথ দেখাবেন- জাতির মাঝে চিরঞ্জীব থাকবেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন মহিলা পরিষদের সম্মানীত সদস্য আজাদী হাই, আকতার কহিনুর ইসলাম, অর্থ সম্পাদক রতœা মিত্র, লিগ্যাল এইড সম্পাদক জিন্নুরাইন পারু, সাংগঠনিক সম্পাদক রুবিনা আকতার, আর্দশ কলেজের প্রভাষক রাজিয়া সুলতানা পলি, রূপা দাস, জেলা ও পাড়া কমিটির সদস্যবৃন্দ। সভায় পরিচলনা করেন শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক রওশন আরা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য