অ্যাকশন কুইন ডাক শুনতে খারাপ লাগে নাসোনাক্ষী সিনহা। বলিউডের আলোচিত অভিনেত্রী। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত চলচ্চিত্র ‘ফোর্স-টু’। এই চলচ্চিত্র ও অন্যান্য প্রসঙ্গ নিয়ে ভারতের বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী- আপনাকে এখন অনেকেই অ্যাকশন কুইন বলে ডাকছেন, কেমন লাগে শুনতে?

আমার দুটো অ্যাকশন ছবি পরপর মুক্তি পেয়েছে বলেই হয়তো দর্শকরা এ নামে ডাকছেন। তবে অ্যাকশন কুইন ডাক শুনতে ভালোই লাগে।

কখনও কি ভেবেছিলেন, অ্যাকশন ছবিতেও দর্শক আপনাকে সানন্দে গ্রহণ করবেন?
সেভাবে কে ভাবে বলেন? আমিও ভাবিনি। অভিনয়ে এসেছি, সব ধরনের ছবিতেই যেন কাজ করতে পারিথ সেটা ভেবেই নিজেকে তৈরি রেখেছি সবসময়।

আর একটা কথা, ‘আকিরা’ আর ‘ফোর্স টু’-এর জন্য আমাকে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়েছে। অ্যাকশনধর্মী ছবিতে শট দিতে গেলে প্রচুর পরিশ্রমের দরকার হয়। অন্যদিক থেকে দুটো অ্যাকশন ছবি পরপর এসে যাওয়ায় সুবিধাও হয়েছিল।

সুবিধাটা কী?
সুবিধা হলো দুটিই অ্যাকশনধর্মী। আকিরা আগে মুক্তি পেয়েছে। এরপর ফোর্স টু শুরু করেছি। ‘আকিরা’য় অ্যাকশন দৃশ্যের জন্য আমাকে যে প্র্যাকটিস করতে হয়েছিল সেটাই ‘ফোর্স টু’র জন্য সহায়তা করেছে।
‘ফোর্স-টু’ ছবির দৃশ্যধারণ বুদাপেস্ট শহরে করেছেন। সেখানকার শুটিংয়ের সময়কার কথা মনে পড়ে?
বুদাপেস্ট আমার প্রিয় শহরের একটি। আমরা সব মিলিয়ে ৫০ দিন বুদাপেস্টে ছিলাম। আমি খুব ঘুরতে ভালোবাসি। যখন সুযোগ পেয়েছি শুটিং শেষ হওয়ার পর শহর ঘুরতে বেরিয়েছি। আর জন যখন সময় পেয়েছে তখনই জিমে গিয়ে ওয়ার্ক আউট করেছে।

অনেক দেশ ভ্রমণ করেছেন। সব থেকে ভালো লেগেছে কোনটা?
আমার ইচ্ছা আছে পুরো ইউরোপ চষে বেড়ানো। এখনও হয়নি সেটা। লন্ডনে তো বছরে দু’বার যাওয়া হয়। কখনও শুটিং, কখনও ফ্যামিলি ট্রিপে। এটাও আমার প্রিয় শহর। এর বাইরেও বিভিন্ন দেশে ঘুরতে ভালো লাগে।

আপনার হাতে এখন কয়টা ছবি?
‘নূর’ ছবির কাজ করছি। পাকিস্তানি লেখক সাবা ইমতিয়াজের উপন্যাস থেকে নির্মিত হচ্ছে এটি। এ ছাড়াও কাজ করছি ‘ইত্তেফাক’ ছবিতে। দুটি ছবির গল্পই ভিন্ন ধাচের। চরিত্র ব্যতিক্রম।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য