নীলফামারীর ডিমলায় সাংবাদিকসহ তার পরিবারের সদস্য দের প্রাণ নাশের হুমকি। গত শনিবার রাত্রি আনুমানিক ১১.০০টায় সাংবাদিক মাজহারুল ইসলাম লিটনের ডিমলা সদরের বাড়িতে কালো কাপড়ে মুখঢাকা অপরিচিত কয়েকজন দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্রসহ প্রবেশ করে মাজহারুল ইসলাম লিটনকে বাড়িতে না পেয়ে তার পরিবারের লোকজনকে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে শাষিয়ে বেড়িয়ে যায়। এ সময় পরিবারের লোকজনের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে।

জানাগেছে, গত ১১/০৩/২০১২ইং সালে মাজহারুল ইসলাম লিটনের নিটক তার দু-সম্পর্কের আত্মীয় একই উপজেলার খালিশা চাপানী গ্রামের (কালা মেম্বার পাড়ার) নুর ইসলামের কন্যা রিক্তা পারভিন তাহার পিতার মালোশিয়ায় ভিসা জনিত সমস্যার কারণে টাকার প্রয়োজন হওয়ায় নন জুডিশিয়াল ১৫০/= ষ্টাম্পে স্বাক্ষর করে সাক্ষী গণের মোকাবেলায় আগামী ১১/১০/২০১৩ইং তারিখ পরিশোধ করবে মর্মে ২, ২০, ০০০/= (দুই লক্ষ বিশ হাজার) টাকা হাওলাদ নেন। পরিবর্তিতে সময়মতো রিক্তা পাওনা টাকা পরিশোধ না করিলে, মাজহারুল ইসলাম লিটন বাদি হয়ে টাকা উত্তোলনের জন্য গত ১৩/০২/২০১৪ ইং তারিখে নীলফামারী বিজ্ঞ সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলানং-৬৬/১৪, বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। রিক্তা পারভিন তাহার

বিরুদ্ধে মামলা করার বিষয় জানতে পেরে সাংবাদিক মাজহারুল ইসলাম লিটনকে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করিয়া আসিতেছিলো। ঘটনার রাতে মাজহারুল ইসলাম তাহার স্ত্রীর মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বাড়িতে লোক আসার বিষয়ে জাতি পারিয়া ছুটে আসেন বাড়িতে। বাড়িতে এসে জানতে পারেন কালো কাপড়ে মুখঢাকা ৪/৫জন অপরিচিত লোক তাহার বাড়িতে দেশীয় অস্ত্রসহ প্রবেশ করে তাহার নাম ধরে ডাকতে থাকে। তাকে না পেয়ে উপস্থিত বাড়ির সদস্য দের রিক্তার নামে করা মামলা অতি তারাতারি কোন প্রকার শর্ত ছাড়াই মীমাংসা না করলে লিটনকে অপহরণ করে জানে মারিয়া লাশ গুম করার হুমকি প্রদান করে এবং বিষয়টি থানা পুলিশ অথবা অন্য কাহাকেও জানালে পরিবারের সকলকে জানে মারিয়া ফেলার হুমকি প্রদান করে দুর্বৃত্তরা চলে যায়।

এ ব্যাপারে মাজহারুল ইসলাম লিটন জানান, পাওনা টাকার কারণেই রিক্তা ভারাটিয়া লোকজনদের আমাকেসহ আমার পরিবাররে সদস্য দের হুমকি দিচ্ছে। টাকার জন্য আদালতে মামলা করার পর হতেই রিক্তা ও তার মা ফেরদৌসী বেগম আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করে আসছে। এ রিপোর্ট লেখা পয্যন্ত থানায় অভিযোগ করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানাগেছে। বর্তমানে সাংবাদিক মাজহারুল ইসলাম সহ তার পরিবারের সদস্য গণ নিরাপত্তা হীনতায় ভুঁগছে। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপার সৃষ্টি হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য