চিরিরবন্দরে হাসিমপুর হাটের কর্তনকৃর্ত রাস্তার গাছ নিয়ে ধুম্রজালদেলোয়ার হোসেন বাদশা, চিরিরবন্দর থেকেঃ দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়নের হাসিমপুর হাটের সরকারী পাকা রাস্তার উপরে কর্তনকৃত রেইনট্রি কড়ই গাছটি কার এ নিয়ে এলাকার লোকজনের মাঝে জল্পনার শেষ নেই। এলাকার অনেকে দাবী করছে গাছটি সরকারী খাস জমি হওয়ার পরেও স্থানীয় প্রভাবশালী মহল প্রভাব খাটিয়ে বিনা ট্রেন্ডারে গাছটি কর্তন করেছে।

গত ১০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে সরজমিনে গেলে পাকা রাস্তার উপরে গাছ কাটার স্ব-চিত্র দেখতে পাওয়া যায়। গাছ ক্রেতা ধান ব্যবসায়ী সাদিকুল ইসলাম জানান, তিনি  ৫০ হাজার টাকায় টেন্ডারের মাধ্যমে নিয়ে গাছ কর্তন করেছেন। তবে টেন্ডারের কাগজ  ইউ.পি চেয়ারম্যানের কাছে আছে বলে সাব জানিয়ে দেন ।

এদিকে ওই জায়গার দোকান মালিক আনিছুর রহমান জানান, জায়গা ও গাছ তার দাবী করে বলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান আমার  ভাগিনা হওয়ায় সে গাছ বিক্রি করেছে। ইউ.পি চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মাদ লুনার জানান, জেলা পরিষদের হাবিবুর রহমান হাবিব গাছ কাটার জন্য ১০ হাজার টাকা দাবী করে এবং সব ব্যবস্থা ওনি করবেন। তাই হয়তো টাকা না পেয়ে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করছে। পরে বিষয়টি নিয়ে হাবিব এর  সাথে বার বার মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এছাড়া নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকে অভিযোগ করে বলেন, পাকা রাস্তার উপরে সরকারী খাস জমিতে গাছটি প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা হলেও কিভাবে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে হয়। দোকানদার আইনুল হক জানান, গাছটি ঝুকিপূর্ন হওয়ায় কর্তন করা হয়েছে। সাবেক ইউ.পি চেয়ারম্যান জাবেদ আলীর শাহ্ সাথে কথা হলে  তিনি জানান, গাছটি খাস জমির উপর থাকায় তিনি ইতিপূর্বে কাটার অনুমতি পাননি।

ফতেজংপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আনিছুর রহমান জানান, এ ব্যাপারে তিনি কিছু জানেননা। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভূমি সহকারী কমিশনারের সিদ্ধান্তে গাছ কর্তন করা হতে পারে বলে জানান। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মাশফাকুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, এ ব্যাপারে তিনিও কিছইু জানেননা।  উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফিরোজ মাহমুদ জানান  গাছটি জেলা পরিষদের তাই গাছের ব্যাপারে যাবতীয় ব্যবস্থা তারা করবেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য