durnitiওয়েব ডেক্সঃ বিরল উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ রহমত আলী ও মহিলা প্রশিক্ষিকা মোছাঃ সেলিনা আক্তার এর অনিয়ম, দুর্নীতি এবং অর্থ আত্মসাতের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ১০ টি ইউনিয়নের দলনেত্রীগণ। ওই দুই কর্মকর্তা পরস্পর যোগসাজসে দুর্নীতির মাধ্যমে হাজার হাজার টাকা আত্মসাৎ করছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ রহমত আলী ও মহিলা প্রশিক্ষিকা মোছাঃ সেলিনা আক্তার আনসার ও ভিডিপিদের নিকট দূর্গা পূজার ডিউটি বাবদ, স্থানীয় সরকার ও জাতীয় নির্বাচন ডিউটি বাবদ প্রতি সদস্য/সদস্যার নিকট হতে ৫০০/৬০০ টাকা নিতে দলনেত্রীদের বাধ্য করে আসছে।

দলনেত্রীগণ উক্ত টাকা আদায় কওে দিতে না চাইলে তাদেরকে বিভিন্ন প্রকার হুমকি, ভয়ভীতি ও ভাতা বন্ধের হুমকি প্রদান করে। এমনকি টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে কতিপয় অসাধু দলপতি ও আনসারের মাধ্যমে টাকা আদায় করে ডিউটি প্রদান কওে থাকে। নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেকটি ইউনিয়নে গিয়ে যাচাই-বাছাই করে ডিউটি প্রদানের কথা থাকলেও তা বাধ্য হয়ে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তার ইচ্ছা অনুযায়ী ১টি স্থানে ২- টি ইউনিয়নের যাচাই-বাছাই কাগজে কলমে দেখানো হয়ে থাকে।

এছাড়াও ২ নং ফরক্কাবাদ ইউনিয়নের দলনেত্রী নবগঠিত ১২ নং রাজারামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা হওয়ায় তাঁকে ১২ নং ইউনিয়নে বদলীর আবেদন করলেও চাহিদামত টাকা সরবরাহ করতে না পারায় তাঁর আবেদনটি অগ্রগামী করা হয়নি। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের সকল দলনেত্রী একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে সরজমিনে অনিয়ম, দুর্নীতি, আত্মসাতের ঘটনা তদন্তপূর্বক সূষ্ঠ বিচারের দাবী জানিয়েছেন।

উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ রহমত আলী জানান, দুর্গা পূজায় ৫০৬জন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ১ম ধাপে ৮৯৯ জন ও ২য় ধাপে ১৫৩জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য ডিউটি পালন করেছে। ডিউটির জন্য ষ্ট্যাম্প বাবদ ১০ টাকা ও কল্যাণ বাবদ ৫ টাকা ছাড়া আর কোন টাকা নেয়া হয় নাই। দলনেত্রীকে বদলীর ক্ষমতা আমার নেই।

ব্যস্ততার কারণে বদলীর আবেদনটি এখনও অগ্রগামী করতে পারিনি। মহিলা প্রশিক্ষিকা মোছাঃ সেলিনা আক্তার জানান, অফিসের কর্মকর্তা যা বলেন, আমাদের তাই করার লাগে, এর বাইরে আমি কিছু বলতে পারবো না। আপনারা উনার নিকট জেনে নিন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য