01 ঠাকুরগাঁওয়ে অজ্ঞান পার্টির দৌরাত্ম বৃদ্ধিঠাকুরগাঁওয়ে  অজ্ঞান পার্টির দৌরাত্ব বেড়েছে।২দিনে প্রতারক চক্র ২ গৃহবধুর সোনাদানা সহ প্রায় লক্ষাধিক টাকার মালামাল হাতিয়ে নিয়ে চম্পট দিয়েছে। আজ বুধবার জেলার হরিপুর উপজেলার কদমতলা গ্রামের নূরজামাল ও তার স্ত্রী জমিলা বেগম মামলায় হাজিরা দিতে মটর সাইকেলে ঠাকুরগাঁও আদালত চত্বরে আসে।

গৃহবধূ জমিলার উপর চোখ পড়ে একজন মহিলা প্রতারকের।ওই মহিলা জমিলাকে বোন বানিয়ে তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং স্বামী স্ত্রী দুজনকে কৌশলে অজ্ঞান করার ওষুধ মেশানো খাবার খাইয়ে অজ্ঞান করে গৃহবধুর নাক, কান ও গলার স্বর্নলংকার ,ভ্যানিটি ব্যাগ ও নগদ ৬ হাজার টাকা ও  মোবাইল ফোন সহ প্রায় ৫০ হাজার টাকা মূল্যের মালামাল নিয়ে চম্পট দেয়।পরে তারা জজ আদালতের সামনের লিচু গাছের নীচে অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকে।

খবর পেয়ে তাদের ঠাকুরগাঁও আইনজীবি সমিতির সদস্য এ্যাড. আবু মনসুর বাবুল থানায় খবর দিলে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান,প্রতারক চক্র ওই দম্পতিকে অজ্ঞান করার ওষুধ খাইয়েছে।কাজেই তাদের স্ব্ভাাবিক হতে কিছুটা সময় লাগবে।

এর পূর্বে গত শনিবার সদর উপজেলার ঘনিমহেশপুর গ্রামের কাতার প্রবাসি তৈমুর রহমানের স্ত্রী ২ সন্তানের জননী জেসমিন আকতার কে ওই চক্রটি একই কায়দায় নেশাজাতীয় খাবার খাইয়ে নাক ,কান ও গলার স্বর্নলংকার  ও একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি -জে২ মোবাইল সেট সহ প্রায় ৪০ হাজার টাকার মালামাল হাতিয়ে নিয়ে চম্পট দেয়।

গৃহবধূ জেসমিন  ওইদিন তার বোনের সিজারিয়ান দেখতে শহরের সিটি ক্লিনিকে আসলে তিনি ওই চত্রের খপ্পড়ে পড়েন। প্রতারিত জেসমিন আকতার জানান,প্রতারক ওই মহিলার শারীরিক গঠন খাট। বোরকা পড়ে ও ঢাকার স্থানীয় ভাষায় কথা বলে। এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও থানার ওসি মশিউর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,শহরে মলম পার্টি তৎপরতার সঙ্গে জড়িতদের সনাক্ত করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।খুব শীঘ্যই দায়ী মহিলা প্রতারক চক্রটি ধরা পড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করনে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য