ঘোড়াঘাটে উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি উন্নয়নের ছোয়া লেগেছে ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর ) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের গুরুত্বপূর্ন এলাকা ঘোড়াঘাট পৌর সভা। বৃষ্টিশ আমলে নির্মিত হলেও উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি বেহাল অবস্থায় পড়েছিল দীর্ঘদিন যাবত। আনুমানিক ১৯৪৪-৪৫ ইং সালে এ উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি স্থাপিত করা হয়। তখন থেকে স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি বেহাল দশায় পরে থাকেন। দীর্ঘ ৭০ বছর পর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটিতে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। ঘোড়াঘাট পৌরসভার গুরুত্বপূর্ন স্থানে বৃটিশ আমলের স্থাপিত ঘোড়াঘাট থানার প্রথম স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি  বেহাল অবস্থায় পড়েছিল।

স্বাস্থ্য কেন্দ্রটির অস্বাস্থ্যকর অবস্থা দেখে ঘোড়াঘাট পৌর মেয়র আব্দুস সাত্তার মিলন সংস্কার কাজে হাত দেন। ইতো মধ্যেই তিনি নিজস্ব তহবিল থেকে সীমানা প্রাচীর ও গ্রীলের গেট নির্মান করে দিয়েছেন। এতে করে স্বাস্থ্য কেন্দ্রটিতে দিনে-রাতে অসামাজিক কর্মকান্ড বন্ধ হয়ে গেছে। এলাকার সুধীজন তাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। মেয়রের বদান্যতায় স্বাস্থ্য বিভাগ খুশি হয়েছেন। বর্তমানে কক্ষগুলির সংস্কার কাজ চলছে।

মেয়রের সীমানা প্রাচীর নির্মানে স্বাস্থ্য বিভাগও সংস্কার কাজ করার উৎসাহ পেয়েছে। ইতো মধ্যে ভেঙ্গে পড়া  কক্ষগুলো, দেয়াল ও মেঝে সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, ঘোড়াঘাট পৌর মেয়র সীমানা প্রাচীর নির্মান করায় আমরা ভীতরের কাজ গুলো মেরামত ও সংস্কার করছি। বর্তমানে পৌর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটির পরিবেশ ফিরতে শুরু করেছে। এখানে নিয়মিত একজন মেডিকেল অফিসার, একজন সহকারী মেডিকেল অফিসার ও একজন ফার্মাসিষ্ট স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করছেন।

উল্লেখ্য, বৃটিশ আমলে নির্মিত ঘোড়াঘাটের প্রথম স্বাস্থ্য হাসপাতাল থেকে ৬ কিলোমিটার দুরে উপজেলা পরিষদ চত্তরে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র নির্মান হয়। তখন থেকে এ হাসপাতালটির   জীর্নদশা  শুরু হয়। এককালের প্রথম স্বাস্থ্য কেন্দ্রটিকে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে রুপান্তরিত করা হয়। স্বাভাবিক কারনে প্রশাসনের নিকট এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রটির গুরুত্ব কমে আসে। কিন্তু জনবসতির জরিপে ঘোড়াঘাট পৌর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি গুরুত্ব অনেক।

ঘোড়াঘাট পৌরশহর ছাড়াও গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়ীর শত শত রোগী এই উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা সেবা নিতে আসে। বর্তমান সরকার চিকিৎসা বান্ধব সরকার। প্রাচীন এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রটিকে মাতৃ ও শিশু সদন হাসপাতালে রুপান্তরিত করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের দাবী এলাকার জনসাধারনের।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য