NawabGonj Mapনবাবগঞ্জ সংবাদাতাঃ দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সরকারি দুটি অফিসে গ্রিল কেটে চুরির চেষ্টা ঘটনার ৭ দিন অতিবাহিত হলেও  কোন ক্লু উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। গত ১০ ই অক্টোবর দিবাগত গভীর রাতে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে ও পল্লী উন্নয়ন সঞ্চয়ী ব্যাংক শাখায় গ্রিল কেটে চুরির চেষ্টা ।

উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার অলক কুমার প্রাং জানান তার চেম্বারের পিছনের জানালার গ্রিল কেটে দুষ্কৃতিকারীরা ঘরে ঢুকে আলমারীর ও টেবিলের ডয়ারের তালা ভেঙ্গে ফেলে কাগজপত্র এলোমেলো করে মেঝেতে ফেলে দেয় ।

একই রাতে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের অধীনে পল্লী উন্নয়ন সঞ্চয়ী ব্যাংকে গ্রিল কেটে আলমারীর টাকা রাখার ভোল্টে ভাংচুর করে । ওই শাখা ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মোঃ নজরুল ইসলাম জানান ওখানে টাকা ছিল না । শুধু আলমারী ও ভোল্টটি ভাংচুর করে ।

এ ঘটনায় ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার ও সঞ্চয়ী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক পৃথক পৃথক ভাবে থানায় অভিযোগ দাখিল করেছেন।

এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বজলুর রশীদ , সহকারী কমিশনার (ভূমি) মৌসুমী আফরিদা ,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নূরে আলম সিদ্দিকী , পুলিশ পরিদর্শক ওসি তদন্ত মোঃ আব্দুল হাকিম আজাদ , উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পারুল বেগম, কৃষি কর্মকতা আবু রেজা মোঃ আসাদুজ্জামান , মৎস্য কর্মকর্তা শামীম , ৮নং মাহমুদপুর ইউপি চেয়াম্যান আব্দুর রহিম বাদশা ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন। ওই দিন সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ মাসিক আইন শৃঙ্খলা সমন্বয় সভায় দুটি অফিস চুরির চেষ্টা ঘটনায় সকলেই হতবাক হয়েছে।

ওই কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বজলুর রশীদ জানান যে বা যারা চুরির চেষ্টার ঘটনা ঘটিয়েছে অভিযুক্তদের সনাক্ত করে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে পুলিশকে নিদের্শ দেন। এদিকে ১৫ দিনের ব্যবধানে উপজেলা সদরে ৩টি বাসা বাড়ি ও একটি বিকাশ এজেন্ট এর দোকানে চুরি সংঘটিত হয়েছিল।

আফতাবগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক মো: আব্দুল হামিদ জানান গভীর রাতে তার বাড়িতে চোর ঢুকে নগদ অর্থ ,মোবাইল সেট ও তার পাশ্ববর্তী ভাড়াটিয়ার বাড়িতে একই কায়দায় টাকা সহ মোবাইল চুরি করে নিয়ে যায়। ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম জানান গভীর রাতে তার দোকানের টিনের চালা ভেঙ্গে বিকাশ একাউন্টের পঞ্চাশ হাজার টাকা চুরি যায়।

চুরি যাওয়া টাকা ও চোরকে সনাক্ত করতে পারিনি পুলিশ। অন্যদিকে ওই দিনেই শালখুরিয়া ইউনিয়নে চোরাই শ্যালো মেশিনসহ দুজন অভিযুক্তকে দিনভর ইউপি ভবনে আটক রেখে পরে স্থানীয় সালিশে অভিযুক্তদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে।  বর্তমানে উপজেলা সদরে চুরি আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য