004 ঠাকুরগাঁওয়ে ৪৪৬টি মন্ডপে চলছে দূর্গাপুজার প্রস্তুতিমনুষ্য কূলকে ইহলৌলিক শান্তি সমৃদ্ধি ও পরলৌকিক মুক্তির অভয় বাণী দিতে মর্তে মা দুর্গার আগমন উপলক্ষে ঠাকুরগাঁও জেলার মন্তপ গুলোতে চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি।দুর্গাদেবীকে বরণ করে নিতে  ইতোমধ্যে জেলার প্রতিমার কাজ প্রায় শেষ।এখন চলছে  রং করার কাজ। তাই ষষ্ঠি পূজার পুর্বে সবকটি মন্ডপ হস্তান্তর করতে মালাকাররা ব্যস্ত সময় পার করছেন ।

সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের বড় উৎসব দূর্গা পূজা। অসুরের আগমনে পৃথিবী যখন অস্থির হয়ে উঠে, মানুষে মানুষে চলে হানাহানি ওই সময় দূর্গতি নাশিনি হিসেবে মা দূর্গার আগমন ঘটে। তাই সনাতন  হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও জেলার ৪৪৬টি মন্ডপে পূজার আয়োজন করেছেন। ইতোমধ্যে প্রতিমা তৈরির প্রাথমিক কাজ শেষ হয়েছে।এখন চলছে প্রতিমায় রং করার কাজ।

সেজন্য মালকাররা নাওয়া খাওয়া ভুলে রাতদিন কাজ করে চলেছেন। এবার মালাকারদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ করেনছেন ভক্তরা।

অপরদিকে মালাকাররা জানান,প্রতিমা সাজানোর বেশিরভাগ জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় মন্ডপে মন্ডপে খরচ বেড়ে গেছে। জেলা পূজা উদযাপন কমিটিও প্রশাসনের সঙ্গে মিটিং সভা নিয়ে ব্যস্ত। গত  ১ অক্টোবর শনিবার ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে  সুষ্ঠুভাবে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় জেলা ও উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।। জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়ালের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি অরুনাংসু দত্ত টিটো,সাধারন সম্পাদক তপন ঘোষ,এ্যাড. ইন্দ্রনাথ রায়,দ্রেীপদী দেবী আগরওয়াল প্রমুখ।

এদিকে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দাবি,পুজায় সরকারি ছুটি যেন বাড়িয়ে কমপক্ষে ৩ দিন করা হয়। নেতৃবৃন্দ শারদীয় দুর্গাপূজার দশমী দিনে সার্কিট হাউজ সহ শহরের বিভিন্ন সরকারি অফিসে আলোক সজ্জা করার দাবি জানান। জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল নেতৃবৃন্দের দাবি ও পুন্জিভুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।

এ ব্যাপারে জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি অরুনাংসু দত্ত টিটো শারদীয় দর্গোৎসক উপলক্ষে জেলাবাসিকে আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য