Nilphamary Mapনীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ২০ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ ও একদিনের বেতন কর্তনের নির্দেশ দিয়েছেন জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাশেদুল হক প্রধান।

বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক অনুপস্থিতির বিষয়টি এলাকার অভিভাবক সহ সর্বমমহলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকারের ব্যাপক কর্মসূচীর সঙ্গে একমত পোষণ না করেই এসব শিক্ষক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকে সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিচ্ছে।

তিনি সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত উপজেলার পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আকস্মিক পরিদর্শন করে অনুপস্থিত শিক্ষকদের ব্যাপারে এ নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনের সময় টেংগনমারী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঁচজন, দক্ষিণ দেশীবাই উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেকসহ নয় জন, পাঠানপাড়া এমইউ আলীম মাদরাসায় একজন, কালকেওট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন ও দক্ষিণ দেশীবাই মতিন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন, জলঢাকা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের তিনজন শিক্ষককে অনুপস্থিত পেয়ে তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন ইউএনও রাশেদুল হক প্রধান।

এছাড়া তিনি এ ২০ জন অনুপস্থিত থাকায় তাদের প্রত্যেককে হাজিরা খাতায় অনুপস্থিত উল্লেখ করেন। অনুপস্থিত শিক্ষকেরা তাদের অনুপস্থিতির ব্যাপারে সাফাই গেয়ে সাংবাদিকদের জানান, এটা অনুপস্থিত নয়, লেট প্রেজেন্ট।

এ ব্যাপারে জলঢাকা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফ উজ্জামান সরকার জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিদ্যালয়গুলো পরিদর্শনকালীন অনুপস্থিত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাশেদুল হক প্রধান বলেন, উপজেলাটিতে শিক্ষার পরিবেশ ও মানোন্নয়নের জন্য আমি এমন আকস্মিক পরিদর্শনে বার বার যাবো।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য