Ballobibahoতেঁতুলিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে একদিনে বাল্যবিবাহের হাত থেকে ৩জন শিক্ষার্থী রক্ষা পেয়েছে। সোমবার রাতে উপজেলা প্রশাসন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান সুলতানা রাজিয়ার সহায়তায় পৃথক অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ২নং তিরনইহাট ইউ’পি, ৪নং শালবাহান ইউ’পি ও ৬নং ভজনপুর ইউ’পিতে ৩ জন স্কুল শিক্ষার্থীকে বাল্যবিবাহের হাত থেকে রক্ষা করেনে।

তদ্মধ্যে তিরনইহাট ইউনিয়নের খয়খাটাড়া গ্রামের জয়নাল হকের স্কুল পড়ুয়া নাবালিকা কন্যা (১৫) এর সঙ্গে দেবনগর ইউনিয়নের হেঙ্গাডোবা গ্রামের আতারুল হকের ছেলে আলম হোসেন এর বিবাহ প্রদানের প্রস্তুতি চলছিল।

এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানিউল ফেরদৌস কে সংগে নিয়ে তেঁতুলিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সরেস চন্দ্র সঙ্গী ফোর্স সহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমান্য আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বর ও কনের পিতাকে দোষী সাবস্ত করে পৃথকভাবে ৫শত টাকা করে মোট ১ হাজার টাকা নগদ অর্থদন্ড প্রদান সহ কন্যাকে বাল্যবিবাহ না দেয়ার অঙ্গিকারনামায় আবদ্ধ করেন।

একই দিনে শালবাহান ইউনিয়নের বোয়ালমারী গ্রামের শুকুর আলী’র স্কুল পড়ুয়া নাবালিকা কন্যা (১৪) কে বিবাহে সম্মতি প্রকাশ করার দায়ে ওই গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে আব্দুল হান্নান (২১) কে তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। এছাড়া বর ও কনের পিতাকে পৃথকভাবে ২’শ টাকা করে অর্থদন্ড প্রদান করেন।

এদিকে ৬নং ভজনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় ভজনপুর ইউনিয়নের গনাগছ গ্রামের নুরল হকের স্কুল পড়ুয়া নাবালিকা কন্যা (১২) এর সঙ্গে একই গ্রামের তফিজুল হকের ছেলে রাজু হাসান (১৩) বিবাহ বন্ধ করেন। এসময় ছেলে-মেয়ের অভিভাবকের নিকট বাল্যবিবাহ না দেয়ার অঙ্গিকারপত্রে আবদ্ধ করেন।

উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা নারী উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি সুলতানা রাজিয়া শিল্পি সাংবাদিকের বলেন, সঠিক সময়ে উপজেলা প্রশাসনের একান্ত হস্তক্ষেপে ৩জন স্কুল শিক্ষার্থীকে বাল্য বিবাহের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভাব হয়েছে। ২৬.৯.২০১৬ খ্রি.।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য