গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নে এক যুগ ধরে নির্বাচন হয় না। নদী ভাঙ্গনে সীমানা নির্ধারণ বিষয়ক ঠুনকো অজুহাতে ইউপি চেয়ারম্যানের কারসাজিতে দীর্ঘদিন থেকে ইউনিয়নটিতে নির্বাচন না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে সাধারণ ভোটারা। সকল শ্রেণী পেশার লোকজন এ দাবিতে একাতœতা প্রকাশ করেছেন। জানা গেছে, উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা নির্বাচন কমিশন সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে ইউনিয়নের কয়েকটি মৌজা যমুনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় ভোটারা অন্যত্র চলে গেছে মর্মে ঠুনকো অজুহাত দেখিয়ে ভিত্তিহীন নানান তথ্য দেন। এ  সংক্রান্ত অভিযোগ তথ্যের সরজমিন তদন্ত ছাড়াই ওই ইউনিয়নের নির্বাচন গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্থগিত করা হয়। নির্বাচন স্থগিত হলে পরিষদের কার্যক্রম সরকারিভাবে চালানোর কথা থাকলেও স্থানীয় প্রসাশনকে ম্যানেজ করে সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বরাদ্দ চেয়ারম্যান হিসেবে নিজেই দেখভাল করে আসছেন। এতে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন সাধারণ ভোটাররা। ভোটের দাবিতে বিক্ষোভ, সমাবেশ, মানববন্ধন, ইউএনও অফিস ঘেড়াও সহ বিভিন্ন কর্মসূচি ইতোমধ্যে পালন করেছেন এলাকাবাসী। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। দাপটের সঙ্গে চেয়ারম্যান হিসেবে বহাল তবিয়তে পরিষদের কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। ইউনিয়নের চিনির পটল গ্রামসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, একটি গ্রামের কিছু অংশ যমুনার গর্ভে ভেঙে গেলেও ভাঙ্গনের শিকার লোকজন ঘুড়িদহ ইউনিয়নেরই বিভিন্ন জায়গায় বসবাস করছেন। সাঘাটা বাজারের ব্যবসায়ী সেলিম আহম্মেদ তুলিপ জানান , ভাঙ্গনের শিকার হলেও ভোটাররা নিজ নিজ এলাকাতে আছেন। সকল ভোটারের দাবি উপেক্ষা করে একটি মহলের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতেই এ ইউনিয়নে নির্বাচন দেওয়া হচ্ছে না। এ ব্যাপারে কথা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল বলেন, বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনে আর সীমাবদ্ধ নেই।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য