Dhan চাল গম ৩নীলফামারীর জলঢাকায় কালোবাজারে বিক্রি হওয়া ভিজিএফএর চাল ৭১ বস্তা জব্দ করেছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
শুক্রবার দুপুরে জেলার জলঢাকা উপজেলার গোলনা নবাবগঞ্জ বাজারের একাধিক গোডাউনে অভিযান চালায় জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাশেদুল হক। এ অভিযানে বাজারের সফিয়ার, জাহাঙ্গীর, রবিয়াল এবং কালামের গোডাউনে জমা করে রাখা ভিজিএফ’র এ চালের বস্তা উদ্ধার করা হয়। পরে ইউনিয়ন পরিষদ গোডাউনে চালগুলো রেখে সীলগালা করা হয়।

অপরদিকে ৭ বস্তা ভিজিএফ এর চাল কেনার অপরাধে নেলভেলু নামের অপর এক খুচরা ব্যবসায়ীকে ২’শ টাকা জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এলাকাবাসীর অভিযোগ জব্দকৃত ৭১ বস্তা চাল বাদেও একটি বাড়ি ও আরো দুইটি গুদামে ৩০০ বস্তা চাল মজুদ থাকলেও ইউএনও সেই চাল জব্দ না করে অভিযান স্থগিত করেন। এ অভিযানে জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান ও জলঢাকা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, ঈদ উপলক্ষে ওই ইউনিয়নে ৬৮৫২ টি কার্ডের বিপরীতে বরাদ্দ দেয়া হয় ১৩৭০.২০ কেজি চাল। গত তিনদিন আগে এই চাল জলঢাকা উপজেলা খাদ্য গুদাম হতে উত্তোলন করে গোলনা ইউনিয়ন পরিষদের গুদামে রাখা হয়।

বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার এই চাল বিতরন করা হয়। এ বিতরনে অনেক কার্ডধারী চাল না পেয়ে বিক্ষোভ করে। এমন খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই চাল উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদের গোডাউনে চালগুলো রেখে সীলগালা করে রাখে। সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আলম কবিরের বিরুদ্ধেকালোবাজারে এই চাল বিক্রির অভিযোগ উঠলেও তিনি তার সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, এসব চাল ব্যবসায়ীরা কার্ডধারী পরিবারগুলোর কাছে কিনে মজুদ করেছে বলে ধারনা করছি। এ ব্যাপারে জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাশেদুল হক প্রধান জানান, দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত চাল কালোবাজারে বিক্রি হওয়া দুঃখজনক। তবে কেউ যেন পরবর্তীতে এরকম অপকর্ম করতে না পারে সেদিকে ইউনিয়নবাসীকে সজাগ থাকতে হবে বলে তিনি মনে করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য