Kaharol Haspitalওয়েব ডেস্কঃ স্বাস্থ্য সেবা মানুষের দোর গোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার ২০০৯ সালের মে মাসে মুঠো ফোনে জরুরী স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম চালু করে। কিন্তু কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই কার্যক্রম ২০০৯ সালের মে মাসে চালু হলেও এখন পর্যন্ত কোন সাফল্যের মুখ দেখেনি। প্রচার-প্রচারণার অভাব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলার কারণে এই সেবা সম্পর্কে মানুষের কোন ধারণা নেই। কালে ভদ্রে ২/১ জন ফোন করলেও ফোনটি বন্ধ থাকে। না হয় উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারের কাছে থাকায় কাঙ্খিত স্বাস্থ্য সেবা মিলছে না। যদিও জরুরী চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে মুঠো ফোনের ০১৭৩০৩২৪৬৪২ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়।

এই কার্যক্রমের আওতায় হাসপাতালে উপস্থিত না হয়েও সাধারণ মানুষ বা রোগীরা নিদিষ্ট মুঠো ফোন নম্বরে ফোন করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারবেন। এ জন মুঠো ফোনের নম্বর জনস্বার্থে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ও জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রদর্শন ও প্রচার করতে সরকারী ভাবে নির্দেশনা রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী কর্তব্যরত চিকিৎসক ২৪ ঘন্টা মুঠো ফোনে রোগীদের স্বাস্থ্য সেবা সংক্রান্ত পরামর্শ দেবেন।

প্রতিদিন কতজন রোগীকে পরামর্শ দেওয়া হল, রোগীরা কি ধরনের পরামর্শ চেয়েছে, সে সব তথ্য হাসপাতালের একটি রেজিষ্ট্রারে লিপিবদ্ধ করে রাখার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত ৭ বছরেও কতজন রোগী মুঠো ফোনে পরামর্শ নিয়েছেন, এমন তথ্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে নেই। এমন কি অভিযোগ রয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জরুরী স্বাস্থ্য সেবা-সংক্রান্ত কোন প্রকার প্রচার প্রচারণা চালায়নি। উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণীর ও পেশার লোকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সরকারের এই জরুরী সেবার বিষয়ে কেউ কিছু জানে না।

উপজেলার সুন্দইল গ্রামের আনোয়ার হোসেন বলেন, হাসপাতালের এই নম্বর প্রায় সময় বন্ধ পাওয়া যায়। তাদের কাজ ছাড়া ঐটি ব্যবহার করা হয় না। আমি একদিন একাধিক বার হাসপাতালের ঐ নম্বরে কেউ ফোন ধরে নি। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোঃ আরোজ উল্লাহ জানান, তিনি এখানে নতুন যোগদান করেছেন খুব শিগগির নম্বরটি জনগণকে চালানো উদ্দ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়াও হাসপাতালের টিকিট কাউন্টারের সামনে বড় করে সেবার কথা উল্লেখ করে সাইন বোর্ড দেওয়া আছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য