বৃষ্টি নাই কৃষকরা দিশেহারা পার্বতীপুরে খরায় পুড়ছে রোপা আমনসোহেল সানী, পার্বতীপুর থেকেঃ আজ ২৯ আগষ্ট পর্যন্ত মাত্র ৪৮ মিলি লিটার বৃষ্টিপাত রের্কড করেছে বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। এর পরও থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে আর কোন ও বৃষ্টিপাত হয়নি। প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত না হওয়ায় ধানের চিটা ও দানা অপুষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে শ্যালো মেশিন দিয়ে সম্পূরক সেচ দিচ্ছে।

পার্বতীপুরে রোপা আমন ক্ষেতের মাটির রসের অভাব দেখা দেওয়ায় ধানের উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত না হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে রোপা আমনের চারা অপুষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষক ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। তবে মৌসুমে শুরুতে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় সংকটে পড়ে রোপা আমন। অনাবৃষ্টির কারণে আমন ক্ষেতের জমি ফেটে চৌচির হয়ে যায়। মাঠ ভরে যায় নানা রকম আগাছায় আমন ক্ষেত।

আজ সোমবার উপজেলার বেলাইচন্ডি ইউনিয়নের কৈপুলকি গ্রামের কৃষক নুর-ই-আলম জানান, প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত না হওয়ায় ধানের চিটা ও দানা অপুষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় দুই বিঘা জমিতে মামুন স্বর্ণা ধান ক্ষেতে শ্যালো মেশিন দিয়ে সম্পূরক সেচ দিচ্ছি।

পার্বতীপুর উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, পার্বতীপুর উপজেলায় এবার ২৭ হাজার ৬শ’ ২৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন লাগানো হয়েছে। আর অর্জিত হবে ২৭ হাজার ৯শ’ ৫৫ হেক্টর।

এব্যাপারে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পার্বতীপুর জোন এর সহকারী প্রকৌশলী বাসুদেব দে বলেন, এ বছরের জুলাই থেকে আগষ্ট পর্যন্ত পার্বতীপুরে মোট ৪৪৯ মিলি লিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। গত পহেলা আগষ্ট থেকে ২৭ আগষ্ট পর্যন্ত ৪৮মিলি লিটার বৃষ্টিপাত হলেও এর পরও থেকে পার্বতীপুরে আর কোন ও বৃষ্টিপাত হয়নি।

এব্যাপারে পার্বতীপুর উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ইলিয়াস ফারুক বলেন, পার্বতীপুরে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় আমন ক্ষেতে রসের অভাব দেখা দিয়েছে। তবে সংকট মোকাবিলায় উপজেলায় কৃষকদের ধানক্ষেতে সম্পূরক সেচের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি আরো জানান, শীতের শিশির পড়ায় খিছুটা হলেও এ সমস্যা কেটে যাবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য