নীলফামারীতে ৫ মাস ধরে নিখোঁজ কলেজ ছাত্রীনীলফামারীতে অনার্স পড়ুয়া এক কলেজ ছাত্রী ৫ মাস ধরে নিখোজ রয়েছে। নিখোজ কলেজ ছাত্রী হলেন, শারমিন আক্তার। সে জেলার সৈয়দপুর উপজেলা শহরের চাঁদনগর এলাকার আনোয়ার হোসেনের মেয়ে ও দিনাজপুর সরকারী কলেজের অর্থনীতি বিভাগের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্রী। শারমিনের নিখোজের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হলেও পুলিশের কাছ থেকে কোন প্রকার সহযোগীতা পাচ্ছেনা বলে  তার পরিবারের অভিযোগ।

জানা যায়, সৈয়দপুর পাইলট গালর্স স্কুল এন্ড কলেজে মাধ্যমিকস্তরে পড়ার সময় শারমিন ভালোবেসে বিয়ে করে একই শহরের গার্ড পাড়ার আব্দুর রশীদের ছেলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মুরশিদকে। স্বামীর ইচ্ছায় শারমিন সৈয়দপুর শহরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকস্তর শেষ করে। পরে অনার্স পড়ার জন্য শারমিন দিনাজপুর সরকারী কলেজে ভর্তি হয় এবং একই শহরের বিআরটিসি কাউন্টার সংলগ্ন বর্ণ বীথি মেসে থাকত।

শারিেমনের স্বামী মুরশিদ জানায়, কলেজ ছুটির কারণে শারমিন বাসায় বেশ কয়েকদিন অবস্থান করার পর গত ২৬ মার্চ বিকেলে দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। সন্ধ্যায় মেসে পৌছালো কিনা তা জানার জন্য তার ব্যবহৃত মোবাইলে ফোন করলে সেটটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরদিন সকালে দিনাজপুরে গিয়ে মেসের মালিক ও তার বেশ কয়েকজন বান্ধবীকে জিজ্ঞাসা করলে তারা শারমিনকে দেখেনি বলে জানায়।

এ ব্যাপারে মুরশিদ গত ২৯ মার্চ দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় এবং ৩০ এপ্রিল সৈয়দপুর থানার পৃথক পৃথক ভাবে দুটি সাধারণ ডায়েরী করে। নিখোঁজ শারমিনের ছোট বোন শহীদ জিয়া শিশু নিকেতন’র ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী শাবনাজ জানায়, শারমিন আপু নিয়মিত নামাজ ও কোরআন পড়তো। কিন্তু সে সহজ সরল ছিলনা। বাসায় এলে সকলকে মাতিয়ে রাখতো। শাবনাজ জানায়, জুন মাসে তার ব্যাহৃত তিনটি ফোনের একটি নম্বর বেশ কিছুদিন খোলা ছিল। তারপর সিমটি বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশের কাছ থেকে কোন সহযোগীতা পাচ্ছেনা বলে শারমিনের পরিবারের এমন অভিযোগ অস্বীকার করে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সাথে এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য