সুকুমনি হত্যা রহস্য উদঘাটন-হত্যাকারী মাতানীলফামারীর ডিমলায় ৪ বছরের শিশুকে জবাই করে হত্যা। ৭২ ঘন্টা পার না হতেই মায়ের জবান বন্দি অনুযায়ী হত্যা রহস্য উদঘাটন ও প্রকৃত আসামীকে গেস্খফতার করেছে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিমলা থানার সাব ইন্সপেক্টর সাহাবুদ্দিন।

বুধবার (২৪ আগষ্ট) রাত সাড়ে ১২টায় উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিন বালাপাড়া গ্রামের গুচ্ছগ্রাম সংলগ্ন বাশঝাড় সংলগ্ন গর্ত থেকে ৪ বছরের শিশু দক্ষিন বালাপাড়া গ্রামের এনছান আলীর কন্যা শুকুমনির গলাকাটা লাশ উদ্বার করা হয়েছে। পরবর্তিতে পুলিশের সন্দেহ হওয়ায় শুক্রবার সুকুমনির মাতা মতিজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। শনিবার সুকুমনির মা মতিজন চিপ জুডিশিয়াল আমলী আদালতের ১ এর বিচারক আকরাম হেসেনের নিকট ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবান বন্দি দিলে।

শনিবার রাতে জবান বন্দির সুত্র ধরে হত্যায় ব্যবহƒত রক্তমাখা কাচিদা ও বস্তা পুলিশ উদ্ধার করে। এবং হত্যায় সহায়তাকারী সুকুমনির পিতা ইনছান আলী(৬০)কে গ্রেফতার করে রবিবার আদালতে সোপর্দ করে। সুকুমনির মাতার স্বীকারোক্তি মূলক জবান বন্দিতে জানাযায়, তাদের সংসারে ৭ মেয়ে ও ১ছেলে। ছেলে ইয়াছিন(২) সবার ছোট। তার বড় সুকুমনি।

প্রতিদিনের ন্যায় সুকুমনি বুধবার ছোট ভাই ইয়াছিন সহ খেলা করা কালীন ইয়াছিন কান্নাকাটি করায়। বিরক্ত হয়ে সুকুমনির মাতা মতিজন সুকুমনির গলা চেপে ধরে। এতে আস্তে আস্তে সুকুমনি নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। বিষয়টি জানতে পেরে নিজে বাচার জন্য দিনভর নাটকীয়তার পর সুকুমনির মাতা মতিজন ও পিতা ইনছান পরামর্শ করে কাচিদা দিয়ে সুকুমনির গলাকেটে লাশ বস্তায় ভরে সন্ধার পর পার্শ্ববর্তি বাশঝাড়ে ফেলে দেয়। রবিবার আদালতের বিচারক সুকুমনির পিতা ইনছান আলীকে মেয়ে হত্যার দায়ে জেল হাজতে প্রেরন করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য