ভারতের গরুর শিং-এ জ্বলছে আলোভারতের মধ্য প্রদেশ পুলিশ গরুর গাড়িতে আর গরুর শিং-এ আলো লাগানোর ব্যবস্থা করেছে!

তবে এই আলো জ্বলবে সামনে থেকে আসা গাড়ির আলো তার উপরে পড়লে তবেই। রাস্তার ধারে পথ নিরাপত্তার জন্য যেরকম রেডিয়াম স্টিকার লাগানো থাকে, সেরকম স্টিকার লাগানো হচ্ছে গরু-মোষের শিং-এ আর গরুর গাড়ি, ট্র্যাক্টর প্রভৃতিতে।

খারগোন, বালাঘাট, হরদা, মোরেনা সহ বিভিন্ন জেলার ট্র্যাফিক পুলিশ কর্মীরা হাতে রেডিয়াম স্টিকার নিয়ে ঘুরছেন, আর গরু বা মোষ দেখতে পেলেই তাদের শিং-এ স্টিকার পেঁচিয়ে দিচ্ছেন।

পুলিশ বলছে বয়স হয়ে যাওয়া গরু-মোষ অনেকেই রাস্তায় ছেড়ে দেন – আর বর্ষার সময়ে ওই প্রাণীগুলো জলে ভর্তি মাঠে না থেকে শুকনো পিচ রাস্তায় উঠে আসে।

প্রায়ই এই গরু-মোষদের সঙ্গে ধাক্কা লেগে গাড়ী দুর্ঘটনা হচ্ছে । সেটা আটকাতেই এই অভিনব প্রয়াস, যাতে দূর থেকে গাড়ী চালকরা সাবধান হয়ে যেতে পারেন।

খারগোন জেলার পুলিশ সুপারিন্টেনডেন্ট অমিত সিং বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, “গত বছর দেড়েকের মধ্যে শুধু আমার জেলাতেই ৩১টা এরকম পথ দুর্ঘটনা ঘটেছে, যেখানে গরু-মোষের সঙ্গে গাড়ীর সংঘর্ষ হয়েছে। মারা গেছেন ১২-১৩ জন মানুষ। বর্ষার সময়ে এগুলো বেশী ঘটছে। সেজন্যই আমার জেলায় গরু মোষের শিং-এ রেডিয়াম স্টিকার লাগাতে শুরু করেছি। গরুর গাড়ি আর ট্রাক্টরগুলোতেও স্টিকার লাগিয়ে দিচ্ছি আমরা।“

রাস্তায় গরু না ছেড়ে রেখে সেগুলোকে গোশালায় পাঠানোর জন্যও পুলিশ গ্রামবাসীদের অনুরোধ করছে অনেক জেলাতেই।

তবে সব জায়গাতে সহজে গরুর শিং-এ যে রেডিয়াম স্টিকার লাগানো যাচ্ছে, তা নয়।

বালাঘাট জেলার এক ট্র্যাফিক পুলিশ কর্মী কৈলাস চৌহানকে উদ্ধৃত করে একটি সংবাদ পত্র লিখেছে, স্টিকার লাগাতে গিয়ে গরুর শিং-এর গুঁতো খেতেও হচ্ছে পুলিশ কর্মীদের!

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য