হরিপুরে বেহাল দশা চরভিটা স্কুলটি শিশু পার্কে পরিণতঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার বকুয়া ইউনিয়নে অবস্থিত বেহাল দশা চরভিটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি আজ যেন শিশু পার্কে পরিণত হয়েছে।
বিদ্যালয়টিতে নানা সমস্যা থাকলেও ছাত্র-ছাত্রীরা আনন্দের সহিত পাঠদান করে যাচ্ছে। ক্লাশের ফাঁকে বিদ্যালয় নির্মিত বিভিন্ন প্রকার বিনোদন স্থানে বসে মনের আনন্দে বিশ্রাম নেয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এরফান আলী জানান, ২০০১ সালে চরভিটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়। বিদ্যালয়টি স্থাপিত হওয়ার পর থেকে ৪জন দক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকা দ্বারা ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদান দেওয়া হয়। বিদ্যালয়টি স্থাপিত হওয়ার সময় নিজের অর্থায়নে বাঁশের বেড়া ও ঢেউটিন দিয়ে  একটি অফিস কক্ষ ও ৩টি শ্রেণীকক্ষ তৈরি করা হয়। বাঁশের বেড়া ও টিন দিয়ে তৈরি  শ্রেণীকক্ষে চলছিল পাঠদান। ২০১৪ সালে কালবৈশাখী ঝড়ে হঠ্যাৎ করে লন্ডভন্ড হয়ে যায় বিদ্যালয়টি। ব্যাহত হয় শিক্ষা কার্যক্রম। জেলা প্রশাসক মুখেশ চন্দ্র বিশ্বাস বিষয়টি জানতে পেরে ছুটে আসেন বিদ্যালয়ে।

তিনি আসার পর পরিবর্তন হতে থাকে বিদ্যালয়টি বেহাল দশার চিত্র। একে পর একেক অনুদান আসতে থাকে বিদ্যালয়ের ফান্ডে। আর পরিবর্তন হতে থাকে বিদ্যালয়টির অবকাঠামোসহ গুনগতশিক্ষার পরিবেশ।  ম্যানেজিং কমিটি ও শিক্ষকমহল পাঠদান কার্যক্রম ধরে রাখতে নিজের অর্থায়নে ২০১৪ সালের জুলাই মাস থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য করে মিড-ডে-মিল। ঠাকুরগাঁও জেলার একমাত্র  মিড-ডে-মিল চালুকৃত বিদ্যালয়টি সচল রাখতে নানা পদক্ষেপ গ্রহন করে জেলা প্রশাসক মুখেশ চন্দ্র বিশ্বাস। যা আজোও বিদ্যালয়টিতে মিড-ডে-মিল চালু রয়েছে। জেলা প্রশাসকের প্রচেষ্টায় বেহাল দশা চরভিটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি আজ যেন মিনি শিশু পার্কে পরিণত হয়েছে। এতে ছাত্র-ছাত্রীদের পুথিগত শিক্ষারমানসহ বিনোদন বিকাশে প্রসার ঘটেছে।
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নুরুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক এরফান আলী, অভিভাবমহল, বিদ্যালয়ের সকল ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকাবাসী জেলা প্রশাসক মুখেশ চন্দ্র বিশ্বাসকে কৃতজ্ঞাকতা জানিয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য