Hotta khun হত্যা খুন Death মৃত্যুনীলফামারীর ডিমলায় অন্তঃসত্বা গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু রয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছালেহা বেগম (১৪)  নামে ওই গৃহবধু মঙ্গলবার বিকালে রংপুর হাসপাতালে মারা যায়। জানা যায় গয়াবাড়ী  ইউনিয়নের কলেজপাড়া গ্রামের আকবর আলীর কন্যা ছালেয়া  বেগম (১৩) সাথে নাউতরা ইউনিয়নের আকাশকুড়ি (গোদার বাজার) গ্রামের নইজার উদ্দিনের পুত্র জসিম উদ্দিন (২০) ১ বছর আগে বিয়ে হয়। বুধবার দুপুরে মেয়েটির পিতার বাড়ীতে লাশ দাফন করা হয়েছে।
দুইজনে ঢাকায় গামেন্সস চাকুরীর সুবাধে প্রেমে সুত্রে বিয়ে হলেও যৌতুকের টাকার জন্য মেয়েটির প্রতি শ্বশুর বাড়ীর লোকজন প্রতিনিয়ত নির্যাতন করত। বিয়ের সময় ৪০ হাজার টাকা দেয়া হলেও স্বামীর বাড়ীর লোকজন আরও ৫০ হাজার টাকা দাবী  করে। মঙ্গলবার সকালে ছালেহাকে  টাকা জন্য নির্যাতন করা হলে যে বাড়ীর উঠানে সঙ্গা হারিয়ে ফেলে। তাকে এলাকার লোকজন উদ্ধার করে ডিমলা হাসপাতালের ভর্তি করলেও উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর হাসপাতালে হস্তান্তর করা হয়। রংপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকালে ছালেয়া মৃত্যুবরন করেন।  লাশ এলাকায় আসলে রাতে ছালেয়ার স্বামী  জসিম উদ্দিন ও শ্বশুড় নইজার উদ্দিনকে এলাকার লোকজন আটক করে। মেয়েটির মা হামিদা বেগম অভিযোগ করে বলেন, নির্যাতনের কারনে তার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। তার জামাতা ও শ্বশুড় বাড়ীর লোকজন আরও ৫০ হাজার টাকা যৌতুকের কারনে নির্যাতন করত। এলাকাবাসী মৃতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন থাকলেও পুলিশ অভিযোগ না পেয়ে লাশ দেখে চলে আসায় বিষয়টি রহস্যজনক বলে মনে করেন। রাতে গয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে ইউপি চেয়ারম্যান শরীফ ইবনে ফয়সাল মুন ও নাউতরা ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম লেলিন উভয় পরিবারের মধ্যে ৪১ হাজার টাকায় আপোষ মিমাংসা করে দেয়। এ ব্যাপারে নাউতরা ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম লেলিন বলেন, উভয় পরিবার আপোষ মিমাংশা করে ৪১ হাজার টাকা মেয়ের পিতাকে দেয়া হয়েছে। ডিমলা থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, সকালে ঘটনাটি জানার পর পুলিশ গেলে কোন পরিবার মামলা করতে রাজী  হয়নি। মৃত্যর পরিবার মামলা করতে রাজী না হলে পুলিশের কি করার আছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য